সোহাগী জাহান তনু
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) বিকালে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (১) আদালতের বিচারক মুমিনুল হক এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ।
যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে তারা হলেন- সাবেক দুই সেনাসদস্য তৎকালীন কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান ওরফে জাহিদ এবং সৈনিক শাহীন আলম। তাদের মধ্যে তনু হত্যাকাণ্ডের সময় জাহিদ কুমিল্লা সেনানিবাসে ১২ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের গড়ঘাটা এলাকায়। শুরু থেকেই পরিবারের অভিযোগ তনুর ওপর পাশবিক নির্যাতন ও তাকে হত্যার নেতৃত্বে ছিলেন সার্জেন্ট জাহিদ। বর্তমানে জাহিদের বয়স ৪৮ বছর। তিনি এরই মধ্যে সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। তিনি কোন দেশে পালিয়েছেন তা জানা যায়নি।
অপরজন হলেন- সৈনিক শাহীন আলম। তার বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে। তনু হত্যার সময় কুমিল্লা সেনানিবাসে ২ সিগন্যাল ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন। শাহীন বর্তমানে কুয়েতে রয়েছেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। তার বর্তমান বয়স ৩৭ বছর। তিনি এরই মধ্যে সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া একমাত্র আসামি হাফিজুর রহমান বর্তমানে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।