০১ অক্টোবর ২০২৬ , ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

✦ দিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ বৈঠক আজ ✦ পুশইন বন্ধে ভারতকে ১৩ চিঠি ✦ নাগরিকদের ফেরাতে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা

বিশেষ প্রতিনিধি
আপলোড সময় : ০৯-০৬-২০২৬
সীমান্তে বাড়তি সতর্কতা লালমনিরহাট সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে বিজিবি সদস্যদের তৎপরতা

সীমান্তে পুশইন বন্ধে ভারত সরকারকে ১৩টি চিঠি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবু পুশইন বন্ধ করছে না ভারত। গতকালও বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টা করেছে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এসব অপচেষ্টা ঠেকাতে সীমান্তে বাড়তি সতর্কতায় রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এদিকে পুশইন, সীমান্ত হত্যা বন্ধসহ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করতে আজ নয়াদিল্লিতে মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে বসছে বিজিবি ও বিএসএফ। অন্যদিকে অবৈধ নাগরিকদের ফেরাতে ভারতকে অবশ্যই আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতের পুশইনের চেষ্টা বিজিবি শক্তভাবে প্রতিহত করছে। নিয়ম না মেনে পুশইনের চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। পুশইন বন্ধে এখন পর্যন্ত ভারতকে অন্তত ১৩টি চিঠি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইলিগ্যাল (অবৈধ) যারা আছে তাদের ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া আছে। সেটা মেনেই ভারতকে কাজ করতে হবে। পুশইন দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে প্রভাব ফেলবে। বিজিবি জানিয়েছে, বিএসএফ কর্তৃক শিশু, নারীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে ঠেলে পাঠানো ঠেকাতে সম্প্রতি বাংলাদেশের ২৬ জেলার সীমান্তে বিপুলসংখ্যক বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। চার পালায় ২৪ ঘণ্টা তাঁরা সীমান্ত পাহারা দিচ্ছেন। সীমান্তের বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয় লোকজনও তাঁদের সহযোগিতা করছেন। এদিকে আজ নয়াদিল্লিতে বিএসএফ সদর দপ্তরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ৫৭তম মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক শুরু হচ্ছে। বিজিবি প্রতিনিধিদল গতকাল নয়াদিল্লি পৌঁছেছে। বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং বিএসএফ মহাপরিচালক প্রভীন কুমার। পুশইন, সীমান্তহত্যা, কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়। দিল্লির কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর শত শত বাংলাদেশিকে আটককেন্দ্রে রাখা হয়েছে। বৈঠকে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে আট সীমান্তবর্তী জেলার ১৩ আটককেন্দ্রে প্রায় ৪০০ নথিবিহীন অভিবাসী আটকে রাখা হয়েছে।



কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ