৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​সারাদেশে ২০টি স্পেশালাইজড হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপলোড সময় : ১৪-০৬-২০২৬
​সারাদেশে ২০টি স্পেশালাইজড হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত

# ১৮টি হাসপাতালের প্রতিটি হবে এক হাজার বেডের
# দেড় হাজার বেডের ২টি হাসপাতাল হবে শুধু নারীদের জন্য


স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্যখাতে বড় ধরণের পরিবর্তন আনার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সারা দেশে ২০টি স্পেশালাইজড হাসপাতাল তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে নারীদের জন্য দুটি দেড় হাজার শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। বাকি ১৮ টি হাসপাতাল হবে ১ হাজার শয্যার। এসব হাসপাতালে কিডনি ডায়ালাইসিস, স্তন ও জরায়ু ক্যান্সার চিকিৎসা, পঙ্গুত্ব পুনর্বাসন, মাতৃসেবা ও সাধারণ চিকিৎসার সুবিধা থাকবে। প্রতিটি হাসপাতালে অত্যাধুনিক পাঁচটি করে অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হবে এবং জরুরি রোগী পরিবহনের জন্য চারটি হেলিকপ্টার সংযুক্ত করা হবে।

রোববার (১৪ জুন) দেশের ১০টি জেলায় আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে এসব কথা বলেন তিনি। সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জের জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতাল থেকে নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, টাঙ্গাইল, সুনামগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, শেরপুর, মাদারীপুর, বাগেরহাট এবং গোপালগঞ্জ জেলার সরকারী হাসপাতালে এই আইসিইউ’র উদ্বোধনী ঘোষণা করা হয়। এই উদ্বোধনী ‎অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন অন্যান্য জেলার সিভিল সার্জন, ডাক্তার ও কর্মকর্তাগণ। 

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া। তারেক রহমান আমাদের প্রধানমন্ত্রী, আমাদের নেতা, আমাদের পথপ্রদর্শক। যার সুদক্ষ নেতৃত্বে আমরা ভয়ের পরিবর্তে সাহস নিয়ে এগিয়ে গিয়েছি। ওনার নেতৃত্বে আমরা প্রচুর পরিমাণে হামের ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছি। এই সরকারের ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে ৮০ হাজার কর্মী হবেন নারী। তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, স্ক্রিনিং এবং প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা প্রদান করবেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা ক্ষমতাগ গ্রহণের পর দেখলাম আমের প্রাদুর্ভাব বেড়ে গেল। বিগত স্বৈরাচার সরকার এবং অদক্ষ কেয়ারটেকার সরকার দেশের টিকা কার্যক্রম চালিয়ে রাখার মত কোন স্টক রেখে যাননি। আমরা একটি বিপর্যস্ত রাজনৈতিক ও স্বাস্থ্যগত অবস্থায় ক্ষমতা গ্রহণ করি। তবে আমাদের একটাই সাহস যে, স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান আমাদের প্রধানমন্ত্রী, আমাদের নেতা, আমাদের পথপ্রদর্শক। যার সুদক্ষ নেতৃত্বে আমরা ভয়ের পরিবর্তে সাহস নিয়ে এগিয়ে গিয়েছি। ওনার নেতৃত্বে আমরা প্রচুর পরিমাণে হামের ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, আমরা আজকে ১০ টি জেলায় নতুন আইসিইউ করতে যাচ্ছি। এখন এসব জেলার রোগীদের একটু স্বাস্থ্য কষ্ট হলেই আর ঢাকায় পাঠানোর প্রয়োজন পড়বে না। এই আইসিইউ ইউনিটের বিষয়ে প্রাইভেট সেক্টরগুলো আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে দুই হাত উজার করে সহযোগিতা করেছেন। আমরা এখন ডেঙ্গু মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত আছি। দেশজুড়ে এক লক্ষ স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ প্রদান করা হবে যার মধ্যে ৮০ হাজার জন মহিলা স্বাস্থ্যকর্মী। আমাদের প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য সেবায় বিপ্লবী পরিবর্তন আনার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। 
‎
‎স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই উদ্বোধনী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এবং নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজীব, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মুহাম্মদ মুশিউর রহমান।


কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ