পর্তুগাল ও কঙ্গো ম্যাচের চিত্র
খেলার দ্বিতীয়ার্ধের ১০ মিনিট পার হওয়ার পর ধারাভাষ্যকার বলছেন, এই কঙ্গো যখন প্লেঅফে জ্যামাইকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে এসেছে, সবাই সমালোচনা করেছে। কেউ কেউ টিটকারি করে হাসাহাসিও করেছেন। আর সেই কঙ্গোই বধ করলো এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম দাবিদার পর্তুগালকে। দলটির বিপক্ষে জিততে পারেনি ইউরোপের জায়ান্টরা। শুরুর ম্যাচেই হোঁচট খেতে হয়েছে রোনালদোদের। ১-১ গোলের সমতা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে।
অথচ পর্তুগালের ম্যাচের শুরুটাই হয়েছে দুর্দান্ত। মাত্র ৬ মিনিটে হোয়াও নেভেসের হেডে এগিয়ে যায় দলটি। তখন অনেক ভক্ত মনে করেছেন, আজ পর্তুগাল আফ্রিকার টিমটির দফারফা করবে। কিন্তু কঙ্গো যেন আজ রূপকথা লিখতে এসেছে। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে দলটির ইয়োয়ানে উইসার গোলে দলটি সমতায় ফেরে।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে ধার বাড়ায় পর্তুগাল। কিন্তু রোনালদোর একের পর এক মিসে বল জালের দেখা পায়নি। ৫৪ মিনিটে হোয়াও ক্যানসেলোর একটি ওভারহেড শট জালে গেলেও অফসাইডে বাদ পড়ে। এরপর আক্রমণ তৈরি করলেও সেটিতে ধার ছিল না। শেষ ১০ মিনিটও একেবারে ম্যাড়ম্যাড়ে কেটেছে। যদিও ৯০ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেসের একটি শট বার ঘেঁষে চলে যায়।
সবমিলিয়ে ফিফা র্যাংকিংয়ের ৫ নম্বর দলকে বধ করেছে ৪৬ নম্বরে থাকা কঙ্গো। ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়া কঙ্গোর ফুটবলে দিনটি ঐতিহাসিক হয়ে থাকবেও বটে।