১৪ অক্টোবর ২০২৬ , ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

নাটোরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপলোড সময় : ১৪-১০-২০২৬
নাটোরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ছবিঃ সংগৃহীত

‘ঘর থেকে শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, নাটোরের উদ্যোগে নাটোরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে।

‘ঘর থেকে শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে নাটোরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডের সময় আত্মরক্ষার কৌশল সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে র‍্যালি, মহড়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, নাটোরের উদ্যোগে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এ কে এম শাহা আলম মোল্লার সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোছা. আসমা খাতুন, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিপন খান, কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ জি এম ইসরাফিল, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, নাটোরের উপসহকারী পরিচালক আখতার হামিদ খান এবং জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা মো. আব্দুর রউফ।

এ ছাড়া জেলা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইদুর রহমান, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ের উচ্চমান সহকারী মো. রবিউল ইসলাম, ওয়্যারলেস অপারেটর রতন কুমার দাসসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম প্রস্তুতি ও জনসচেতনতার বিকল্প নেই। দুর্যোগ মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, স্থানীয় জনগণ ও স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণও জরুরি।

তাঁরা আরও বলেন, দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে পরিবার থেকেই সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। বিশেষ করে শিশু, নারী, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখা জরুরি। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম ও প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে। দুর্যোগের সময় আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া, জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার সহায়তা গ্রহণ এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের দক্ষতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন বক্তারা।

পরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতামূলক মহড়া প্রদর্শন করেন। জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার বলেন, আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসের মূল লক্ষ্য হলো দুর্যোগের ঝুঁকি সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা, প্রস্তুতি জোরদার করা এবং সম্মিলিত উদ্যোগে নিরাপদ ও দুর্যোগসহনশীল সমাজ গড়ে তোলা।



কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ