১৯ অক্টোবর ২০২৬ , ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

শিরোপার অপেক্ষা ঘোচাতে চান লিটনরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপলোড সময় : ১৮-১০-২০২৬
শিরোপার অপেক্ষা ঘোচাতে চান লিটনরা ছবিঃ সংগৃহীত

সাত বছরে বদলেছে অধিনায়ক, বদলেছে দলের চেহারা। জয়-পরাজয়ের অভিজ্ঞতায় বাংলাদেশের ক্রিকেটে এসেছে নতুন বাস্তবতা, তৈরি হয়েছে নতুন স্বপ্নও। তবে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের শিরোপা জয়ের স্মৃতির পাশে নতুন কোনো সাফল্য যোগ হয়নি। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটানোর সুযোগ এবার লিটন দাসের দলের সামনে। আবুধাবিতে জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানকে নিয়ে শুরু হতে যাওয়া এই প্রতিযোগিতায় শিরোপার পাশাপাশি নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের চ্যালেঞ্জও বাংলাদেশের।

২০১৯ সালে আয়ারল্যান্ডের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বহুজাতিক ওয়ানডে টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এরপর আর ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ খেলা হয়নি তাদের। দীর্ঘ বিরতি শেষে আজ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আবারও এমন প্রতিযোগিতায় নামছে দলটি। শুরুটা ভালো হলে সাত বছর আগের সাফল্যের স্মৃতি নতুন করে ফিরিয়ে আনার পথ তৈরি হবে।

তবে শিরোপার স্বপ্ন পূরণ করতে হলে শুরুতেই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে বাংলাদেশকে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে হেরেছে তারা। অন্যদিকে, গত বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তানের কাছে তিন ম্যাচের সিরিজে ধবলধোলাই হয়েছিল বাংলাদেশ। সাম্প্রতিক এই দুই অভিজ্ঞতাই লিটনদের জন্য সতর্কবার্তা। পরিচিত প্রতিপক্ষ হলেও কাউকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই।

২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার লক্ষ্য সামনে রেখে ওয়ানডেতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখাও বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই সিরিজে নিজেদের শক্তি ও দুর্বলতা যাচাইয়ের পাশাপাশি দলের উন্নতির জায়গাগুলো চিহ্নিত করার সুযোগ পাচ্ছে তারা। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে হলে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই ধারাবাহিক পারফরম্যান্স প্রয়োজন।

এবারের সিরিজে বাড়তি নজর থাকবে নতুন অধিনায়ক লিটন দাসের ওপর। মেহেদী হাসান মিরাজের জায়গায় ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব পেয়েছেন তিনি। আগামী বছরের অক্টোবর পর্যন্ত দায়িত্ব পাওয়া লিটনের জন্য এই প্রতিযোগিতা নিজের নেতৃত্বগুণ প্রমাণের গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। তাঁর অধীনে দলের পরিকল্পনা, একাদশ নির্বাচন এবং চাপের মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাও থাকবে আলোচনায়।

ব্যাটিংয়ে চার নম্বরে লিটনের খেলা দলকে নতুন ভারসাম্য দিয়েছে। রানখরা কাটিয়ে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। ইনিংসের শুরুতে তানজিদ হাসান ও সৌম্য সরকার, এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহিদ হৃদয়ের মতো ব্যাটারদের নিয়ে বড় সংগ্রহ গড়ার সামর্থ্য রয়েছে বাংলাদেশের। তবে কাগজে-কলমে শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের সুফল পেতে হলে মাঠে দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে প্রত্যেককে।

বোলিংয়েও রয়েছে একাধিক বিকল্প। তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ ও শরীফুল ইসলামের মতো পেসারদের নিয়ে আক্রমণ সাজাতে পারে বাংলাদেশ। মোস্তাফিজুর রহমান একাদশে থাকবেন কি না, তা নিয়েও রয়েছে আলোচনা।



কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ