২৭ অক্টোবর ২০২৬ , ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্ট পেলেন যবিপ্রবির অধ্যাপক জাভেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপলোড সময় : ২৬-১০-২০২৬
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্ট পেলেন যবিপ্রবির অধ্যাপক জাভেদ ছবিঃ সংগৃহীত

দেশীয় কৃষি প্রযুক্তিতে নতুন সম্ভাবনা, সাশ্রয়ী সার ব্যবহারের আশা দেশীয় গবেষণায় বড় সাফল্য—ন্যানো ইউরিয়া উদ্র্ভাবনের পেটেন্ট অনুমোদন পেয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান। দীর্ঘ পাঁচ বছর দুই মাসের অপেক্ষার পর রবিবার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ পেটেন্ট অফিস তাঁর উদ্র্ভাবনের স্বীকৃতি দিয়েছে। এ অর্জন দেশের কৃষিতে দেশীয় প্রযুক্তির বিকাশ, সারের ব্যবহার দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আমদানিনির্ভরতা কমানোর সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলেছে।

২০২১ সালে পেটেন্টের জন্য আবেদন করেছিলেন অধ্যাপক জাভেদ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অনুমোদন পাওয়ায় উদ্র্ভাবনটির আরও উন্নয়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও বাণিজ্যিক উৎপাদনের পথ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ও মাঠপর্যায়ে কার্যকারিতা যাচাইয়ে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেলে ন্যানো ইউরিয়া সারের অপচয় কমানো, কৃষকের উৎপাদন ব্যয় হ্রাস এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তির প্রসারে ভূমিকা রাখতে পারে।

যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর এ অর্জনকে বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতির জন্য গৌরবের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, উদ্র্ভাবনটির সফল প্রয়োগ ইউরিয়া সার আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের সম্ভাবনাও তৈরি করতে পারে।

অধ্যাপক জাভেদ হোসেন খান দীর্ঘদিন ধরে ন্যানোটেকনোলজি ও উন্নত উপকরণ নিয়ে গবেষণা করছেন। ২০১৩ সাল থেকে যবিপ্রবিতে নিজস্ব গবেষণাগার পরিচালনা করছেন তিনি। ২০২৫ সালে বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের ফেলো নির্বাচিত হন এই গবেষক। পেটেন্ট অনুমোদন উদ্র্ভাবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হলেও কৃষিতে এর বাস্তব সুফল নিশ্চিত করতে প্রয়োজন কার্যকারিতা যাচাই, মাঠপর্যায়ের পরীক্ষা, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও বাণিজ্যিক উৎপাদন। এখন সেই গবেষণালব্ধ প্রযুক্তিকে কৃষকের নাগালে পৌঁছে দেওয়াই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।



কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ