ছবিঃ সংগৃহীত
জাপানের নাগোয়ায় টয়োটার মোতোমাচি কারখানা ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশটিতে চলমান সফরের অংশ হিসেবে তিনি কারখানাটিতে যান।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বেলা ১২টার দিকে কারখানাটি পরিদর্শন করেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি গাড়ি সংযোজন (অ্যাসেম্বলি) প্রক্রিয়া সরেজমিনে দেখেন।
টয়োটার পক্ষে পরিদর্শনে ছিলেন টয়োটা মোটর কর্পোরেশনের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসাহিকো মোয়েদা ও টয়োটা সুশো কর্পোরেশনের মোবিলিটি বিভাগের সিইও শিগেরু হারাদা। প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) শিনিচিরো ওতসুকাসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। সফরসঙ্গীদের মধ্যে আরও ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং গবেষণা কর্মকর্তা আবদুস সাত্তার পাটোয়ারীও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর হবে ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর।
জাপানের একটি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, পাঁচ বছরে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ব্যবস্থা করবে জাপান, আর লক্ষ্য খাতগুলোর মধ্যে অটোমোবাইলও রয়েছে। তবে খবরটি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
মোতোমাচি কারখানা থেকে প্রথম গাড়ি ‘ক্রাউন’ বেরিয়েছিল ১৯৫৯ সালের ৮ আগস্ট। শুধু যাত্রীবাহী গাড়ি তৈরির জন্য জাপানে এটিই ছিল প্রথম কারখানা। এটি চালু হওয়ার পর টয়োটার উৎপাদনক্ষমতা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়।