ছবিঃ সংগৃহীত
অভিনয়ে নতুন পথচলা শুরু করেছেন বিদুষী বর্ণিতা। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে গত বৃহস্পতিবার মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত প্রথম ওয়েব ফিল্ম ‘ক্যাফে আমব্রেলা’। শিহাব শাহীনের পরিচালনায় এতে একজন অভিনেত্রী সামিরার চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। প্রথম কাজেই অভিজ্ঞ নির্মাতার সঙ্গে কাজের সুযোগ, সহশিল্পীদের সহযোগিতা এবং নতুন চরিত্রে নিজেকে তুলে ধরার অভিজ্ঞতা—সব মিলিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত বর্ণিতা। অভিনয়, পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন এমদাদুল হক মিলটন।
‘ক্যাফে আমব্রেলা’কে নিজের অভিনয়জীবনের বিশেষ একটি কাজ হিসেবে দেখছেন বর্ণিতা। দর্শকের প্রতিক্রিয়া নিয়েও আশাবাদী তিনি। বর্ণিতা বলেন, “প্রথম কাজ হিসেবে ‘ক্যাফে আমব্রেলা’ আমার কাছে ভীষণ বিশেষ। দর্শকের প্রতিক্রিয়া নিয়ে আমি বেশ আশাবাদী। মুক্তির পর আমার শুভাকাঙ্ক্ষীরা কাজটি দেখছেন। তাঁদের কাছ থেকে ভালো লাগার কথা শুনছি। একজন নতুন শিল্পী হিসেবে দর্শকের কাছ থেকে এমন সাড়া পাওয়া অনেক বড় অনুপ্রেরণা। আশা করছি, আরও বেশি মানুষ কাজটি দেখবেন এবং তাঁদের মতামত জানাবেন।”
প্রথম কাজেই শিহাব শাহীনের মতো অভিজ্ঞ নির্মাতার সঙ্গে কাজ করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন এই অভিনেত্রী। তাঁর ভাষায়, “শুরুতে শিহাব শাহীনের মতো একজন অভিজ্ঞ নির্মাতার সঙ্গে কাজ করতে পারা আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। লাক্স সুপারস্টারের মতো এত বড় একটি প্ল্যাটফর্ম থেকে না এলে হয়তো এই সুযোগ পেতাম না। তাঁর কাজের ধরন, গল্প বলার কৌশল এবং একটি চরিত্রকে পর্দায় বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার প্রক্রিয়া কাছ থেকে দেখেছি। অনেক কিছু শেখার সুযোগ হয়েছে। তিনি চরিত্র নিয়ে যেভাবে ভাবেন, তা আমাকে নিজের অভিনয় নিয়েও নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে।”
‘ক্যাফে আমব্রেলা’য় সামিরা নামের একজন অভিনেত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন বর্ণিতা। বাস্তব জীবনে অভিনয়ের জগতে নতুন হওয়ায় চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলা তাঁর জন্য সহজ ছিল না। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “চিত্রনাট্য পাওয়ার পরই চরিত্রটি আমার কাছে আলাদা লেগেছিল। বাস্তব জীবনে আমি অভিনয়ের জগতে একেবারেই নতুন। অথচ সামিরা পেশায় একজন অভিনেত্রী। ফলে তাঁর জীবনযাপন, চিন্তাভাবনা ও অনুভূতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া সহজ ছিল না। তবে এই ভিন্নতাই আমাকে চরিত্রটির প্রতি আগ্রহী করে তুলেছিল। গল্পে ভালোবাসা, সম্পর্কের সমঝোতা এবং ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের ভারসাম্যের বিষয়গুলো রয়েছে। আমার মনে হয়েছে, দর্শকও গল্পের বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের জীবনের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাবেন।”