• বিনোদন
  • অতিরিক্ত পরিশ্রমে জ্ঞান হারালেন গোবিন্দ, হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে দিলেন যে পরামর্শ

অতিরিক্ত পরিশ্রমে জ্ঞান হারালেন গোবিন্দ, হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে দিলেন যে পরামর্শ

বিনোদন ১ মিনিট পড়া
অতিরিক্ত পরিশ্রমে জ্ঞান হারালেন গোবিন্দ, হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে দিলেন যে পরামর্শ

শারীরিক দুর্বলতা ও মানসিক চাপে আচমকা অসুস্থ ‘হিরো নাম্বার ওয়ান’, ভক্তদের আশ্বস্ত করে জানালেন যোগব্যায়ামের গুরুত্ব

অবশেষে স্বস্তি ফিরল ভক্তমহলে। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা গোবিন্দ। বুধবার দুপুরে মুম্বাইয়ের জুহুস্থিত ক্রিটিকেয়ার হাসপাতাল থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে, পায়ে হেঁটে বের হতে দেখা যায় ৬১ বছর বয়সী এই অভিনেতাকে। তার চোখেমুখে ছিল স্বস্তির ছাপ, যা দেখে উদ্বেগ কাটে তার অগণিত অনুরাগীর।

কেন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন গোবিন্দ? ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাতে নিজের বাড়িতে হঠাৎই জ্ঞান হারান এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। এরপর বিন্দুমাত্র দেরি না করে পরিবারের সদস্যরা তাকে ক্রিটিকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে জানা যায়, বিগত কিছুদিন ধরে একটানা কাজ করার ফলে সৃষ্ট শারীরিক দুর্বলতা, মানসিক tension এবং তীব্র মাথাব্যথার কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পর তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত উন্নতি ঘটে।

হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে ভক্তদের বার্তা হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গোবিন্দ তার ভক্তদের উদ্দেশে বলেন, "আমি এখন ভালো আছি। খুব বেশিই কাজ করে ফেলেছি এই ক’দিন, তাই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম।" ভক্তদের আশ্বস্ত করার পাশাপাশি নিজের স্বাস্থ্য ও শরীরচর্চার অভ্যাস নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তাও দেন তিনি। গোবিন্দ বলেন, "আমার মনে হয়, জিমে (gym) গিয়ে ঘাম ঝরানোর থেকে যোগব্যায়াম বা প্রাণায়ম করা অনেক ভালো। অতিরিক্ত ব্যায়াম শরীরের জন্য হিতকর নয়। আমি অবশ্য শারীরিক গড়ন ঠিক রাখার জন্যই জিমে এত শরীরচর্চা করতাম। কিন্তু এই ঘটনার পর যা বুঝলাম, এর থেকে যোগব্যায়াম অনেক বেশি উপকারী।" তার এই বার্তা বুঝিয়ে দেয়, স্বাস্থ্যের প্রতি অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগের পরিবর্তে ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপনের গুরুত্ব কতটা।

বারবার খবরে গোবিন্দর স্বাস্থ্য তবে এই প্রথম নয়, সম্প্রতি আগেও একবার গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল এই অভিনেতাকে। গত বছর অক্টোবরে নিজের লাইসেন্সপ্রাপ্ত রিভলভার পরিষ্কার করার সময় অসাবধানবশত তার পায়ে গুলি লেগে যায়। সেই সময় হাঁটুর নীচে ক্ষত নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। প্রায় এক ঘন্টাব্যাপী অস্ত্রোপচারের পর গুলিটি বের করা হলে, কিছুদিন চিকিৎসার পর তিনি বাড়ি ফেরেন। লাগাতার কাজের চাপ এবং স্বাস্থ্যের প্রতি এই অবহেলা যে তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে, তা মঙ্গলবারের ঘটনাই আবার প্রমাণ করল।