• ব্যবসায়
  • চাকরির মেয়াদ ১০ মাস বাকি থাকতেই ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মইনুল খানের পদত্যাগ

চাকরির মেয়াদ ১০ মাস বাকি থাকতেই ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মইনুল খানের পদত্যাগ

ব্যবসায় ১ মিনিট পড়া
চাকরির মেয়াদ ১০ মাস বাকি থাকতেই ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মইনুল খানের পদত্যাগ

স্বেচ্ছা অবসরের আবেদন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে জমা; ওমরাহ পালনে সৌদি আরবে অবস্থান, সহকর্মীদের কাছে পেশাদারিত্বের সঙ্গে ‘ভ্যালু’ যোগ করার দাবি।

চাকরির মেয়াদ (Service Tenure) শেষ হওয়ার প্রায় ১০ মাস আগেই বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের (Bangladesh Trade and Tariff Commission - BTTC) চেয়ারম্যান মইনুল খান পদত্যাগ করেছেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় (Ministry of Commerce) সূত্রে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা গেছে। মইনুল খান একজন জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে (Ministry of Public Administration) তাঁর পদত্যাগপত্রের আবেদনটি ৩০ অক্টোবর তারিখে জমা দেওয়া হয়েছে। আবেদনপত্রের একটি অনুলিপি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়েও সংরক্ষিত রয়েছে।

স্বেচ্ছা অবসরের ঘোষণা

বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, মইনুল খান অনানুষ্ঠানিকভাবে আগেই জানিয়েছিলেন যে তিনি সরকারি চাকরি থেকে ‘ঐচ্ছিক অবসরে’ (Voluntary Retirement) যেতে চান।

জানা গেছে, পদত্যাগের আবেদনের সময় মইনুল খান ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে (Saudi Arabia) অবস্থান করছিলেন। ২০ অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা সরকারি আদেশ (Government Order - GO) অনুযায়ী, ২৬ অক্টোবর থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি ২০ দিনের ছুটিতে রয়েছেন। এই বিষয়ে তাঁর মন্তব্য জানতে ফোন করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

সহকর্মীদের কাছে আবেগঘন বার্তা

মঙ্গলবার বিটিটিসির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মইনুল খান অফিসের অভ্যন্তরীণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গ্রুপে (Social Media Group) একটি বার্তা দেন। সেখানে তিনি সহকর্মীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন এবং সরকারি চাকরি থেকে ঐচ্ছিক অবসরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান।

তিনি তাঁর দীর্ঘদিনের চাকরিজীবন প্রসঙ্গে উল্লেখ করেন, সরকারের বিভিন্ন পদ ও স্থানে প্রায় ৩২ বছর তিনি সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের (Professionalism) সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি দাবি করেন, সার্বিকভাবে নিজ যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে তিনি সরকারের জন্য সব সময় ‘ভ্যালু’ (Value Addition) সংযোজন করার চেষ্টা করেছেন। একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার এমন আকস্মিক পদত্যাগ সরকারি মহলে নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে।