চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও বিস্ফোরকসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। বুধবার (১২ নভেম্বর) রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অ্যাডহক ৪৮ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্টের নিয়ন্ত্রণাধীন বোয়ালখালী আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন শেখ আবরার ফাইয়াজ কধুরখীল ইউনিয়নের জামতলা এলাকা থেকে এই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—নুরুল আমিন (৪৬), মোহাম্মদ আবু নাসের জিলানী (৫২) এবং মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন (৪২)। এরা সবাই নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত।
জব্দকৃত মালামাল ও পূর্বের অভিযোগ
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ১টি শটগান, ৪টি ককটেল বিস্ফোর।
জব্দ মালামাল ও নাশকতার পরিকল্পনা
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অবৈধ সামগ্রী (Contraband Items) জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১টি শটগানক** (Explosive), ১টি শটগান অ্যামোনিশান, ৪টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৮৯ হাজার ২০ টাকা জব্দ (Seize) করা হয়।
বোয়ালখালী আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন, ৪টি ককটেল বিস্ফোরক, ১টি শটগান অ্যামোনিশান (Ammunition), ৪টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৮৯ হাজার ২০ টাকা।
বোয়ালখালী আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন শেখ শেখ আবরার ফাইয়াজ জানান, গ্রেপ্তারকৃত নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে সিকদারিয়া স্কুলে বিগত সব জাতীয় নির্বাচনে অস্ত্রবাজি করে ভোটকেন্দ্র দখল, চাঁদাবাজি (Extortion), দখলবাজি আবরার ফাইয়াজ জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা আগামী ১৩ নভেম্বরের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে একটি খামারে নাশকতার পরিকল্পনা (Sabotage Plan) করছিল। এই গোপন পরিকল্পনার খবর পেয়েই সেনাবাহিনী সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। (Land Grabbing) এবং ২০১৫ সালের ১৫ জানুয়ারি চৌধুরীহাটে অবস্থিত সৌখিন সিটি মার্কেটে সশস্ত্র গোলাগুলির মাধ্যমে দখলের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
ক্যাপ্টেন ফাইয়াজ আরও বলেন, “গ্রেপ্তারকৃত সবাই একটি খামারে আগামী ১৩ নভেম্বরকে (Next Day’s Date) কেন্দ্র করে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন।” এই গ্রেপ্তারের ফলে চট্টগ্রাম অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
**আইনি প্রক্র পুরনো অপরাধের রেকর্ড
গ্রেপ্তারকৃত নুরল আমিনের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। ক্যাপ্টেন ফাইয়াজ জানান, “গ্রেপ্তারকৃত নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে সিকদারিয়া স্কুলে বিগতিয়ার জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জব্দকৃত মালামালসহ গ্রেপ্তারকৃতদের সুস্থ অবস্থায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার (Legal Process) জন্য বোয়ালখালী থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন শেখ আবরার ফাইয়াজ বলেন, “সন্ত্রাস, মাদক, ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ সব ধরনের সামাজিক অনাচার ও অপরাধমূলক কার্যক্রম বন্ধে আমাদের অভিযান (Operation) অব্যাহত থাকবে।” সেনাবাহিনীর এই কঠোর অবস্থান এলাকায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স (Zero Tolerance) নীতি নিশ্চিত করছে।