এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিচ্ছে। সংঘর্ষের ঘটনার পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে মাদরাসা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত পৌনে ১১টার দিকেও মাদরাসার হলে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন। তাদের উদ্ধারে কাজ করছে প্রশাসন।
চকবাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল খায়ের বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন পরিস্থিতি শান্ত আছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত আহত শিক্ষার্থী থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে ও আহত সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
এদিকে চকবাজার থানার একটি সূত্র জানা যায়, আলিয়া মাদরাসায় একটি হলে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে কিছু ছাত্ররা। সেই সময় মাদরাসার ক্যান্টিন বন্ধ করে দেওয়া হয় পাশাপাশি মাদ্রাসার পাশে একটি মাঠে বিভিন্ন জিনিসপত্র রাখাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বর্তমানে আলিয়া মাদরাসা এলাকায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী অবস্থান নিয়েছে। তবে বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. ফারুক জানান, আলিয়া মাদরাসার সংঘর্ষের ঘটনায় সাতজন শিক্ষার্থী হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিচ্ছেন। আহতরা হলেন, সাদিক (২১), মইন (২২), ইলিয়াস (২১), ওমর ফারুক (২১), আবু বক্কর (২২), ওয়ালিদ (২২) ও এনামুল (২২)