উদ্বোধনী ম্যাচে বাড়তি আকর্ষণ
বিপিএল শুরুর আগে মাঠের বাইরের নানা ঘটনা এবং অস্থিরতা নিয়ে আলোচনা বেশি হলেও, উদ্বোধনী ম্যাচে একটি বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে। সেটি হলো দুই দলের নেতৃত্বে জাতীয় দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ সদস্যের উপস্থিতি। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের নেতৃত্ব দেবেন টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, অন্যদিকে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের কান্ডারি অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। এই দুই তারকার ব্যক্তিগত লড়াই টুর্নামেন্টের শুরুতেই দর্শকদের বাড়তি উন্মাদনা যোগাবে।
গোছানো দল রাজশাহী, প্রস্তুত শান্ত
বিপিএলের দলগুলোর মধ্যে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে গোছানো দল হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাদের বিদেশি ক্রিকেটাররা আগেভাগেই দলে যোগ দিয়েছেন এবং প্রস্তুতিও বেশ পরিকল্পিত। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ইতোমধ্যে জানিয়েছেন যে, টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই তারা ইতিবাচক ফল প্রত্যাশা করছেন। দলের সমন্বয় এবং প্রস্তুতি শান্তকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।
ঘরের মাঠে মিরাজ ও সিলেটের চ্যালেঞ্জ
অন্যদিকে, টুর্নামেন্ট শুরুর দিনই অধিনায়কের নাম ঘোষণা করেছে সিলেট টাইটান্স। নিলামের আগে সরাসরি চুক্তিতে দলে ভেড়ানো মেহেদী হাসান মিরাজের কাঁধেই নেতৃত্বের গুরুভার দেওয়া হয়েছে। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এর আগে ৩৩ ম্যাচে ১৫টি জয় নিয়ে তার অধিনায়কত্বের রেকর্ড মোটামুটি সন্তোষজনক। টানা অনুশীলনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি ক্রিকেটারদের নিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড তৈরি করেছে সিলেট। ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় তারা বাড়তি আত্মবিশ্বাস পাচ্ছে। যদিও প্রথম ম্যাচে দলের সবাইকে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে, তবুও ঘরের দর্শকদের সামনে ভালো শুরু করতে বদ্ধপরিকর মিরাজ।
দ্বিতীয় ম্যাচেও অস্থিরতার ছাপ
দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে চট্টগ্রাম রয়্যালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেস। এই ম্যাচটিও মাঠের বাইরের আলোচনার কারণে নজরে থাকবে। সম্প্রতি নানা অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গেছে এই দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের প্রধান কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন ও সহকারী কোচ তালহা জুবায়ের শুরুতে অনুশীলন বয়কট করলেও, পরে তা 'ভুল বোঝাবুঝি' হিসেবে সমাধান করা হয়েছে। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানা ছেড়ে দেওয়ায় বিসিবি আপাতত দলটির দায়িত্ব নিয়েছে। সব জটিলতার পরও শেষ পর্যন্ত ক্রিকেট মাঠে ফেরায় এটাই আপাতত বিপিএলের সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর।