ঢালিউড অভিনেত্রী অধরা খান বর্তমানে কানাডার টরন্টোতে আছেন। তবে দেশের বাইরে থাকলেও তিনি সেখানকার শোবিজ ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গেও নিজেকে যুক্ত করেছেন। গত বছরের শেষভাগে তিনি একটি ওয়াটার পিউরিফায়ারের বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন এবং নতুন বছরের শুরুতেই, অর্থাৎ ১২ জানুয়ারি থেকে আরও কয়েকটি বিজ্ঞাপনের শুটিং শুরু করবেন তিনি।
'ফোর্টি এইট আওয়ার্স' প্রজেক্টে অধরা
কানাডায় অধরা খানের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সংযুক্তি হলো 'ফোর্টি এইট আওয়ার্স' (48 Hours) নামের একটি বিশেষ প্রজেক্ট। টরন্টো থেকে মুঠোফোনে তিনি জানান, এটি একটি চ্যালেঞ্জিং প্রজেক্ট, যেখানে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের কাহিনি লেখা থেকে শুরু করে নির্মাণ ও সম্পাদনার পুরো কাজ শেষ করতে হয়। তিনি মনে করেন, এই অভিজ্ঞতা তার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারকে আরও শক্তপোক্ত করবে।
ইউরোপে নতুন সিনেমার শুটিং
আন্তর্জাতিক প্রজেক্টের পাশাপাশি দেশীয় দর্শকদের জন্যও সুখবর দিয়েছেন অধরা। দেশে ফিরেই নতুন তিনটি সিনেমার কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে তার। এর মধ্যে একটি সিনেমা মোটামুটি চূড়ান্ত, যার শুটিং হবে ইউরোপের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে। তবে সহশিল্পী কে হবেন বা সিনেমার বিস্তারিত বিষয় এখনই জানাতে চাননি তিনি। তিনি শীঘ্রই দেশে ফিরে কাজে যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন।
মুক্তির অপেক্ষায় দুই সিনেমা
বর্তমানে অধরা খানের দুটি সিনেমা দেশে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। সিনেমা দুটি হলো সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান ডায়মন্ডের 'দখিন দুয়ার' এবং জাহিদ হোসেনের 'ঋতুকামিনী'। দেশ ছাড়ার আগেই তিনি এই দুটি সিনেমার ডাবিং ও আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করে গেছেন।
প্রবাস জীবনের কারণ
দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকা প্রসঙ্গে অধরা বলেন, তার দেশে যাওয়াটা কঠিন কিছু না। কিন্তু বর্তমানে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের চাপ কিছুটা কম থাকায় তিনি নিজেকে ঝালিয়ে নিতে চেয়েছেন। কানাডায় এসে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট কাজেই নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন এবং এখানে প্রত্যাশার চেয়েও ভালো সুযোগ ও কাজ পাচ্ছেন। নিজেকে আরও দক্ষ অভিনেত্রী হিসেবে গড়ে তুলতেই এই প্রবাস জীবনকে কাজে লাগাচ্ছেন বলে জানান তিনি।