প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি না পেয়েও অনলাইনে ঝড়
সীমান্তের কাঁটাতার এই ছবির মুক্তি আটকাতে পারলেও দর্শকের কৌতূহলের আগুন নেভাতে পারেনি। আদিত্য ধর পরিচালিত 'ধুরন্ধর' ভারতের বক্স অফিসে সাফল্য পেলেও, রাজনৈতিক জটিলতার কারণে পাকিস্তানে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়নি। কিন্তু তাই বলে দর্শকের আগ্রহ থামেনি। টরেন্টো, টেলিগ্রাম এবং ভিপিএন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত ছড়িয়ে পড়ছে সিনেমাটির গোপন স্ট্রিমিং লিঙ্ক। নিখুঁত প্রিন্ট না হওয়া সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের আগ্রহ তুঙ্গে।
গল্পের সংবেদনশীলতা ও সমালোচনা
রণবীর সিংয়ের পাশাপাশি অক্ষয় খান্না, সারা অর্জুন এবং সঞ্জয় দত্ত অভিনীত এই সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে লিয়ারি গ্যাং সংঘর্ষ, ২৬/১১ মুম্বাই হামলা এবং ১৯৯৯ সালের কান্দাহার বিমান ছিনতাইয়ের মতো স্পর্শকাতর ঘটনাকে কেন্দ্র করে। বিশেষ করে লিয়ারি গ্যাংয়ের চিত্রায়ন নিয়ে পাকিস্তানেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ছবির রাজনৈতিক বার্তা নিয়ে কেউ কেউ প্রশ্ন তুললেও, অভিনেতাদের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করতে কার্পণ্য করছেন না পাকিস্তানের বড় একটি অংশের দর্শক। সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে ছবির ক্লিপ, রিল এবং মিমে পাকিস্তানি দর্শকদের প্রশংসা ও আক্ষেপের চিত্র ফুটে উঠেছে।
ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং 'ধুরন্ধর ২'-এর ঘোষণা
প্রথম পর্বের এই নজিরবিহীন সাফল্য ও জনপ্রিয়তাই প্রমাণ করেছে 'ধুরন্ধর' কেবল একটি সিনেমা নয়, এটি এখন একটি শক্তিশালী ফ্র্যাঞ্চাইজি। এই সাফল্যের ধারা বজায় রেখে 'ধুরন্ধর ২' নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে। নির্মাতারা আশা করছেন, ২০২৬ সালের ঈদুল আজহায় বড় পর্দায় আসন্ন এই স্পাই থ্রিলারটি নতুন চমক, আরও বৃহৎ ক্যানভাস এবং আগের চেয়েও তীব্র উত্তেজনা নিয়ে দর্শক মাতাতে আসছে।