যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিক্ষোভকারীদের বিক্ষোভ চালিয়ে যেতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি, ২০২৬) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে লেখেন, 'তোমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করো।' একই সঙ্গে তিনি ইরানকে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত বলেও দাবি করেন।
বৈঠক বাতিলের ঘোষণা ট্রাম্পের
ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন যে, বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল করা হয়েছে। এর আগে তিনি ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি আরও জানান, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপও বিবেচনায় রয়েছে।
বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা দুই হাজার, স্বীকারোক্তি ইরানের
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে জানা যায়, ইরানের এক সরকারি কর্মকর্তা চলমান বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার মানুষের নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। ইরানি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এত বড় মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশের এটিই প্রথম ঘটনা। তবে ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, বিক্ষোভকারী এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মৃত্যুর পেছনে 'সন্ত্রাসীরা' দায়ী।
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগের দাবি তেহরানের
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, বিক্ষোভ চলাকালীন সময়েও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের প্রস্তাবগুলো তেহরান পর্যালোচনা করছে। ইরান সরকার বরাবরই অভিযোগ করে আসছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দেশটিকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। আরাঘচির দাবি, শুরুতে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল, কিন্তু পরে সশস্ত্র গোষ্ঠী ঢুকে পড়ে পরিস্থিতি সহিংস করে তোলে।