যারা ইসলামের সাইনবোর্ড লাগিয়ে ষড়যন্ত্র করেছিল, শরিয়া আইনে তারা দেশ পরিচালনা করবে না। তারা ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ইসলামপ্রিয় মানুষ তাদের ছেড়ে আমাদের সঙ্গে চলে এসেছে। তারা একা হয়ে গেছে।
আজ শনিবার বিকালে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার সোনারং আমতলি মাদ্রাসা মাঠে মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী কে এম বিল্লাল হোসাইনের নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোট থেকে বের হয়ে আসা প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের পরে একশ্রেণির ক্ষমতালোভীরা এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার রঙিন স্বপ্ন দেখা শুরু করলো। আমরা সরল মনে পথ চলতে ছিলাম। তারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সেখানে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রের জাল তৈরি করে। আমাদের কেচকাকলে ফেলানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র তৈরি করলো। এমনভাবে ষড়যন্ত্র করা হলো, হয় কেচকাকলে পড়তে হবে, না হয় তোমাদের একা হতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে আরও যে ইসলামী দলগুলো ছিল তাদের উল্লেখযোগ্য নেতাদের আসনে তারা প্রার্থী রাখেনি; কিন্তু ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিটি আসনে তারা প্রার্থী দিয়েছেন। মানে তাদের আটকালো আর আমাদের বের করার কেচকাকল তৈরি করলো।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেশকে ভালোবাসি। আর ওরা এই দেশের ভালোবাসার নামে গোপনে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে।
এ সময় মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী।