এখানে লোকচুরির কোনও ব্যাপার নেই। এটাই আমরা কূটনীতিকদের বুঝিয়েছি। তারা খুশি এবং তারা আস্থাশীল; যে আমরা একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পারবো।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে কূটনৈতিকদের নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিং শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
এএমএম নাসির উদ্দিন বলেন, কূটনৈতিকদের সঙ্গে আলোচনা খুব সুন্দর হয়েছে। এখানে যত কূটনৈতিক রয়েছেন তারা এসেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য কী কী প্রস্তুতি নিয়েছি এবং কী কী কাজ করেছি, তা তাদের বুঝিয়েছি। আমরা আমাদের কর্মকাণ্ড পুরোটা ব্রিফ করেছি।
তিনি বলেন, যাদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি এম্বেসেডররা, তারা খুব খুশি। তারা আস্থাশীল যে আমরা একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পারবো।
কূটনৈতিকরা কোনও পরামর্শ দিয়েছেন কিনা প্রশ্নে সিইসি বলেন, তারা প্রশ্ন করেছেন, পরামর্শ দেন নাই।
কী কী প্রশ্ন করেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা প্রশ্ন করেছিলেন, আমরা পোস্টাল ভোটের পদ্ধতিটা কেমন, আমাদের ল’ এনফোর্সমেন্ট এজেন্সির ডেভলপমেন্ট হবে, কী পরিমাণ লোকজন ডেভলপমেন্ট হবে, কী প্ল্যান এবং কার আন্ডারে এগুলা চলবে, সেগুলোই জানতে চেয়েছেন। আমরা বুঝিয়েছি, আমরা নিশ্চিতভাবে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবো। যাতে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সবাই কেন্দ্রে আসতে পারে। ভোটটা দিতে পারে। ভোটটা দিয়ে যাতে ফিরে যেতে পারে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, আমরা এখানে আর্মি ডেপ্লয় করবো, বিজিবি ডেপ্লয় করবো, র্যাব ডেপ্লয় করবো, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী আনসার হিউজ ডেপ্লয়মেন্ট হবে। আপনারা নিশ্চিন্ত থাকেন আমাদের তরফ থেকে আমরা ভোটারদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। আশা করি, এটা আমরা পারবো।