সর্বোচ্চ দামে ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বাজুসের নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকা। এর আগে কখনোই এত দামে স্বর্ণ বিক্রি হয়নি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্যবৃদ্ধির কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যান্য ক্যারেটের নতুন দর ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম অনুসারে, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৫২৭ টাকা। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৪১৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ৯১৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্ণ কেনার ক্ষেত্রে ভ্যাট ও মজুরি স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের ক্ষেত্রে ক্রেতাদের আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত করতে হবে। এর পাশাপাশি, বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশও যুক্ত করা হবে। তবে, গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে বলে জানিয়েছে জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন।
রুপার দামও রেকর্ড উচ্চতায় স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি এবার রুপার দামও বাড়িয়েছে বাজুস। ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২৩২ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে রুপারও সর্বোচ্চ দাম। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা।
চলতি বছরে রুপার দাম সমন্বয় চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১০ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং বাকি ৩ দফা কমানো হয়েছে। গত বছর (২০২৫ সাল) রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বারই দাম বেড়েছিল এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।