সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে খনখাইয়া খালে ভাসমান অবস্থায় লাশটি দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ফটিকছড়ি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
নিহত রাজু ওই এলাকার দায়মুল্লাহ তালুকদার বাড়ির কবির হোসেনের ছেলে।
জানা যায়, রাজু প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে তুসি নামের এক প্রতিবেশী তরুণীকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করেন। গত ২১ জানুয়ারি বিকেলে উভয় পরিবারের সম্মতিতে সামাজিক বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা হয়। তবে ওইদিন রাতেই নিখোঁজ হন রাজু। পরদিন ২২ জানুয়ারি তার বাবা কবির হোসেন বাদী হয়ে ফটিকছড়ি থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
মামলায় তুসির বোন জামাই ফিরোজ আহমেদকে প্রধান আসামি করে নাম উল্লেখসহ ছয়জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ-ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বৈঠকে আপাতত সমাধান হলেও ফিরোজ আহমেদ তা মেনে নিতে পারেননি। অভিযোগ অনুযায়ী, ২১ জানুয়ারি রাতে তিনি অন্য অভিযুক্তদের সহায়তায় রাজুকে ঘর থেকে ডেকে এনে অপহরণ করেন। এর পাঁচদিন পর খালে তার লাশ পাওয়া যায়।
ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সেলিম জানান, স্থানীয় চৌকিদারের কাছে সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খনখাইয়া খাল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে পরিবারের সদস্যরা থানায় এসে লাশটি সনাক্ত করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।