নির্বাচনে কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে ভোটদানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকার কারণে সকলেই আসন্ন নির্বাচনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কাজে কমিশনের হয়ে যারা দায়িত্ব পালন করবেন তাদের উদ্দেশ্যে ইসি বলেন, 'নিরপেক্ষতার ক্ষেত্রে কোনো আপোষ করবেনা কমিশন। সবাইকে শতভাগ নিরপেক্ষ অবস্থায় থাকতে হবো। যদি এর কোনো ব্যত্যয় হয় কমিশন কঠোর ব্যাবস্থা নিবে।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন নির্বাচনে সাফল্যের পূর্ব শর্তই হচ্ছে সমন্বয়। ১২ তারিখের আগে মানুষের মধ্য বদ্ধমূল ধারণা দিতে হবে যে, নির্বাচনের কমিশনের অধিনে সরকারের সকল অঙ্গ যারা নির্বাচনের দায়িত্বে তারা সবাই ইউনাইটেড। আর এ ম্যাসেজটা স্টাবলিস্ট করতে পারলেই আর কেউ কেন্দ্র দখল করতে পারবে না, ভয় ভীতিও দেখাবে না, টাকাও ছড়াবে না। নিরপেক্ষতার ক্ষেত্রে কোনো আপোষ করা যাবে না বলে নির্দেশনা দেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসি সানাউল্লাহ এ সব কথা বলেন।
প্রধান অতিথি আরো বলেন, সারা দেশের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে বৈঠক করার পর আমার মনে হয়েছে, তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগে মুখিয়ে আছে। আমরা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে চাই।
ইসি সানাউল্লাহ গনমাধ্যমেকে বলেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। নির্বাচন জালিয়াতির সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে নির্বাচন কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে। এই বিষয়ে সংস্কার কমিশনের পক্ষ থেকে সুপারিশ করা হয়েছে।
ঝালকাঠির রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, সেনাক্যম্পে দায়িত্বরত কর্মকর্তা, গোযেন্দা কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমে দায়িত্বরত সদস্য ও গণমাধ্যম কর্মীরা এতে উপস্থিত ছিলেন।