নির্বাচনে টাকার খেলার অভিযোগ ও সাকির অবস্থান
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি সম্প্রতি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে একটি নির্বাচনী পথসভায় বক্তৃতা করেন। সেখানে তিনি নির্বাচনে চলমান ‘টাকার খেলা’ নিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, "নির্বাচনে টাকার খেলা চলছে—এটা আমাদের সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। আমার নিজের তো টাকা-পয়সা নেই। ইন্টারমিডিয়েট পাস করার পর থেকেই আমি রাজনীতি করছি, টাকা উপার্জনের দিকে কখনো মনোযোগ দিইনি। তাই আমি টাকার খেলায় নামতে পারব না।"
জনগণের ঐতিহ্য রক্ষার আহ্বান
জোনায়েদ সাকি বাঞ্ছারামপুরের জনগণের ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে বলেন, "আমি বিশ্বাস করি বাঞ্ছারামপুরের মানুষ টাকার বিনিময়ে তাদের সম্মান বিক্রি করবে না। এই এলাকার একটি ঐতিহ্য আছে—টাকার খেলায় কেউ এখানে নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারে না। সেই ঐতিহ্য আপনারাই রক্ষা করবেন।"
ভোট চুরি রুখতে জনতার প্রতিরোধের ডাক
'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং'-এর আশঙ্কা প্রকাশ করে জোনায়েদ সাকি বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন যে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ধান্দা চলছে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, "আমরা জনগণের ভোটে, মানুষের সমর্থন নিয়ে সংসদে যেতে চাই। কেউ যদি গোপনে বা নানা কৌশলে ভোট চুরির চেষ্টা করে, তাহলে জনতার প্রতিরোধের মাধ্যমে আমরা তা ঠেকিয়ে দেব।"
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভোটের দিন সকালে সবাই কেন্দ্রে যাবেন, নিজের ভোট নিজে দেবেন এবং সারাদিন ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবেন।
পথসভার অন্যান্য বক্তারা
শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এই পথসভায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন—উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি একেএম মূসা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছালে মূসা, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আমিরুল ইসলাম সাজ্জাদ ও উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি লিয়াকত আলী ফরিদসহ স্থানীয় নেতারা।