আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নাগেশ্বরী দয়াময়ী পাইলট একাডেমি ফুটবল মাঠে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের নির্বাচনি জনসভার মঞ্চে উপস্থিত হয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।
বিন ইয়ামিন মোল্লা নিজেই এ তথ্য বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন। একইসঙ্গে নির্বাচনি মাঠে জামায়াত প্রার্থীর পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন এই ছাত্র নেতা। রবিবার বিকালে জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনি সভার মঞ্চে উপস্থিত হন কুড়িগ্রাম-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক মার্কার প্রার্থী বিন ইয়ামিন। উপস্থিত জনতার উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘এলাকার উন্নয়ন এবং জনপদের বৃহত্তর স্বার্থে জামায়াতের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে এই জনসভায় এসেছি। আমি জামায়াত প্রার্থীকে সমর্থন দিচ্ছি।’ এ সময় নির্বাচিত হয়ে তার প্রতিশ্রুত কাজগুলো করার জন্য জামায়াত প্রার্থীর কাছে আবেদনও জানান তিনি।
জানতে চাইলে বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, ‘এই জনপদের বৃহত্তর স্বার্থে আমি জামায়াত প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। এলাকার মানুষের প্রতি আমার যে অঙ্গীকার ছিল, সেগুলো জামায়াত প্রার্থী আমাদের সঙ্গে নিয়ে বাস্তবায়ন করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এমন আলোচনা থেকে জামায়াত প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছি। এখন আমাদের সমর্থক, কর্মী, সহযোদ্ধা এবং শুভাকাঙ্ক্ষী যারা আমাকে ভোট দিতে চান তাদের আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন জামায়াত প্রার্থীর পাশে থাকেন এবং তাকে ভোট দেন।
সভায় জামায়তের জেলা, উপজেলা নেতৃবৃন্দসহ ওই আসনে জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।
এদিকে দলীয় প্রার্থীর এমন সিদ্ধান্তে বিব্রত গণঅধিকার পরিষদের জেলা নেতৃবৃন্দ। তারা বলছেন, তিনি (বিন ইয়ামিন মোল্লা) কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা তাদের জানা নেই। তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জেলার নেতৃবৃন্দ।
দলটির জেলা সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন পলাশ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা দলীয়ভাবে বিএনপির প্রতি সমর্থন জানিয়েছি। বিন ইয়ামিন মোল্লার জামায়াতকে সমর্থন দলীয় সিদ্ধান্ত নয়, এটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এমন কর্মকাণ্ডের জন্য তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে আমরা কেন্দ্রীয় কমিটিকে অবহিত করবো।