• দেশজুড়ে
  • তিন পার্বত্য জেলার পরিষদে নির্বাচনসহ বিভিন্ন দাবিতে পিসিএনপি’র সংবাদ সম্মেলন

তিন পার্বত্য জেলার পরিষদে নির্বাচনসহ বিভিন্ন দাবিতে পিসিএনপি’র সংবাদ সম্মেলন

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
তিন পার্বত্য জেলার পরিষদে নির্বাচনসহ বিভিন্ন দাবিতে পিসিএনপি’র সংবাদ সম্মেলন

অসীম রায় (অশ্বিনী), বান্দরবান প্রতিনিধি

পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) বান্দরবানে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছে, যেখানে তারা পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে নির্বাচনের মাধ্যমে পরিষদ গঠন, চেয়ারম্যান পদে বাঙালিদের অংশগ্রহণের সুযোগ এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টির দাবি জানিয়েছে। তারা আরও দাবি করেছে যে, প্রত্যাহারকৃত ২৪৬টি সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপন এবং ১০৩৬ কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক নির্মাণ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক।

পিসিএনপি-র চেয়ারম্যান কাজী মোঃ মজিবর রহমান বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ এবং বান্দরবান জেলা পরিষদ, রাঙামাটি জেলা পরিষদ ও খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে অনির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যা দুর্নীতি ও বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে।

তারা আরও দাবি করেছে যে, ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি এবং ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, তাই এসব আইন ও চুক্তি বাতিল করা হোক ¹।

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে নির্বাচনের মাধ্যমে পরিষদ গঠন, চেয়ারম্যান পদে বাঙালিদের অংশগ্রহণের সুযোগ এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টি, প্রত্যাহারকৃত ২৪৬টি সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপন ও সীমান্ত সড়ক নির্মাণসহ একাধিক দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)।

২৮ শে ফেব্রুয়ারি বান্দরবান-এ সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান কাজী মোঃ মজিবর রহমান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ এবং বান্দরবান জেলা পরিষদ, রাঙামাটি জেলা পরিষদ ও খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে অনির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

এতে জবাবদিহির ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং দুর্নীতি ও বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে এবং বাঙালি জনগোষ্ঠীর চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। পাশাপাশি চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালনের জন্য ভাইস চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টির দাবিও জানান।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সংগঠনটি জানায়, পাহাড়ে সশস্ত্র বিভিন্ন গ্রুপের তৎপরতায় চাঁদাবাজি, অপহরণ ও সহিংসতার ঘটনা বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রত্যাহার করা ২৪৬টি সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপন এবং দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানানো হয়।

একই সঙ্গে ১০৩৬ কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক নির্মাণ দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি এবং ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে তারা মনে করেন। তাই এসব আইন ও চুক্তি বাতিল করে সমতলের জেলার মতো সংবিধানের আলোকে পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনের দাবি জানান বক্তারা।

ভূমি কমিশন আইন সংশোধন, সকল সম্প্রদায়ের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ, বাজারফান্ড এলাকায় হাউজ লোন চালু রাখা এবং শিক্ষা, চাকরি ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার দাবিও তুলে ধরা হয়।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সব সম্প্রদায়ের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য।