একইসঙ্গে সব পক্ষকে সংযত হয়ে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।
রোববার (১ মার্চ) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়েছে।
সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে 'ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার গুরুতর লঙ্ঘন এবং জাতিসংঘ সনদের নীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নিয়মের পরিপন্থী' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানকে সমবেদনা জানিয়ে বলেন, খামেনির হত্যাকাণ্ড ছিল মানবিক নৈতিকতা ও আন্তর্জাতিক আইনের সব মানদণ্ডের লঙ্ঘন করে সংঘটিত এক নির্দয় হত্যা।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালায় ইসরায়েলি-মার্কিন বাহিনী। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সেনাপ্রধানসহ অন্তত ৩০ জন শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি-মার্কিন আগ্রাসনের জবাবে ইরানও পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা তেল আবিবের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।
আল জাজিরা বলছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় এখন পর্যন্ত ইরানে ২০১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন সাত শতাধিক।
ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলায় ইসরায়েলে ৯ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি ১২১ জন আহত হয়েছেন। আর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা আঘাতে আরব আমিরাতে ৩ জন, কুয়েতে ১ জন এবং ইরানে ২ জন নিহত হয়েছেন। আমিরাতে নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশিও রয়েছেন।