মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে সাভার এলাকায় অবস্থিত ডিএনসিসির আমিনবাজার ল্যান্ডফিল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
প্রশাসক বলেন, ছাড়পত্র পাওয়া গেলেই দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে ডিএনসিসির প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে।
চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই আমরা মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করতে পারব। অনুমতি মিললে দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে, যোগ করেন তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে প্রশাসক বলেন, ল্যান্ডফিল এলাকায় মিথেন গ্যাস উৎপন্ন হওয়ার কারণে মাঝে মাঝেই আগুন ও ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়। এটি স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ আমরা গুরুত্বের সাথে নিয়েছি। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পটি চালু হলে এই সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান হবে। জানা গেছে, মেগা এই প্রকল্প বাস্তবায়নে একটি চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। তবে বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের বাধ্যতামূলক ছাড়পত্র এখনও মেলেনি।
ফলে প্রকল্পের মূল কাজ শুরু করা যায়নি। পরিদর্শনকালে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান,প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসান এবং আমিনবাজার ল্যান্ডফিল সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরিচালক এস এম শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।