গণঅভ্যুত্থানই এর বৈধতা। সংবিধান অনুযায়ী গণঅভ্যুত্থান হয়নি, ইন্টেরিম সরকার হয়নি, তারেক রহমানের সরকার হয়নি। পুরোনো সংবিধানের কথা বললে ফ্যাসিস্ট হাসিনাকেই মেনে নিতে হবে।
বর্তমান সরকার কি তা মেনে নিতে প্রস্তুত? মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কুমিল্লা স্টেশন ক্লাবে আয়োজিত এনসিপির বিভাগীয় ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটের গণরায়কে আদালতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমরা কি সে রায় মানব? আমাদেরও রাজপথে যেতে হবে। আমরা জুলাইয়ের মতো হাইকোর্ট না রাজপথ স্লোগান দিতে চাই না।
আমাদের স্লোগান দিতে বাধ্য করবেন না। সংসদকে সংস্কার পরিষদ ঘোষণা করতে হবে। গণভোটের গণরায় অনুযায়ী সব সংস্কার মেনে নিতে হবে। এর বিকল্প আমরা মেনে নেব না।
জনগণের ম্যান্ডেটকে আদালতে নিয়ে আদালতকে প্রশ্নবিদ্ধ করবেন না। বিএনপির সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, অযথা ঝামেলা করবেন না। সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে, ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর দাবি তুলতে হবে, বিচার বাস্তবায়ন করতে হবে। সেইসঙ্গে শহীদ শরীফ বিন ওসমান হাদির খুনিদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ভারতকে চাপ দিতে হবে। খুনি হাসিনা ও ওসমান হাদির খুনিকে ফেরত পাঠালে তবেই ভারতের সঙ্গে আমরা সম্পর্ক স্থাপন করব।
এসময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ, কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির দ্বীন মোহাম্মদ, এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার প্রমুখ।