তবে এই উসকানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইরান পুলিশ। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যারা এই বিদেশি আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে, তাদের ‘দেশের শত্রু’ হিসেবে গণ্য করা হবে।
গত কয়েকদিন ধরেই ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু ধারাবাহিকভাবে ইরানিদের সরকারবিরোধী আন্দোলনে নামার প্ররোচনা দিচ্ছেন।
বিশেষ করে গতকাল মঙ্গলবার একদিনেই দুইবার ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ইরানের সাধারণ মানুষকে বিদ্রোহ করার উসকানি দেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে কড়া বার্তা দিয়েছেন ইরানের পুলিশ প্রধান আহমেদ রেজা-রাদান। দেশটির সরকারি টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যারা শত্রুদের কথায় প্ররোচিত হয়ে এ মুহূর্তে রাস্তায় নামবে, তাদের সাধারণ বিক্ষোভকারী নয় বরং রাষ্ট্রের শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, বিদেশি শক্তির ইন্ধনে যারা অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মূলত তেহরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করতেই ওয়াশিংটন ও তেল আবিব একযোগে এই প্রচারণায় নেমেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।