• জাতীয়
  • নির্বাচনী ইশতেহার জাতীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে

নির্বাচনী ইশতেহার জাতীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে

জাতীয় ১ মিনিট পড়া
নির্বাচনী ইশতেহার জাতীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এখন আমাদের জাতীয় অঙ্গীকার, জাতীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে এই ইশতেহারের যে অংশটুকু এই মন্ত্রণালয়ের ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত রয়েছে তার সফলভাবে বাস্তবায়ন করা এখন আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার নির্বাচনের পূর্বে জনগণের সামনে উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে এটা যেহেতু জনগণের ম্যান্ডেট পেয়েছে সেহেতু এখন এটি আর দলীয় কোনো কর্মসূচি নয়। এটি এখন রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘নির্বাচনী ইশতেহার মতে, বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহ শ্রমিক বান্ধব করার প্রক্রিয়া ও করণীয় বিষয়ক’ অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সচিব বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারের ২০টি বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পৃক্ত রয়েছে। বর্তমান বিএনপি দলীয় সরকারের এই নির্বাচনী ইশতেহারের বিভিন্ন বিষয় কীভাবে আমরা বাস্তবায়ন করবো সেগুলো সেক্টর ভিত্তিক এ মন্ত্রণালয়ের বিভাগ, অনুবিভাগ, শাখা, অধিশাখাগুলোর মধ্যে বিভক্ত করে দেওয়া হয়েছে। আর এই ইশতেহারের ভিত্তিতে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য।

প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে ইশতেহারের যে অংশটুকু এই মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সেগুলোকে নিয়ে একটি খসড়া ও করণীয় সম্পর্কে প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়া গেলে চূড়ান্ত করা হবে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ সম্পর্কিত ইশতেহার বাস্তবায়নের চূড়ান্ত কর্মপরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর নিকট উপস্থাপন করা হবে। সচিব বলেন, এ সরকারের ইশতেহার বাস্তবায়নে বিদেশস্থ বাংলাদেশে মিশনসমূহ যেন আরও বেশি তৎপরতা বৃদ্ধি করে সেজন্য তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে, তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

বিশেষ করে টেলিফোনে, ভার্চ্যুয়াল প্লাটফর্মে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বিদেশের বিভিন্ন শ্রমকল্যাণ উইং এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে। প্রবাসী কল্যাণ সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আমাদের কাছে অর্থের চাইতে মানুষের জীবনের মূল্য হচ্ছে সবচেয়ে বেশি, মানুষের জীবনের মূল্য হচ্ছে সবচেয়ে অগ্রগণ্য বিষয়। সুতরাং পরিস্থিতি যেখানে যাই ঘটুক না কেন যত টাকা-পয়সাই লাগুক না কেন মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে থাকা আমাদের প্রবাসী বাংলাদেশীদের বিপদ হতে উদ্ধারের ব্যবস্থা করা, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে, প্রয়োজনে তাদের দেশে প্রেরণের ব্যবস্থা করা হবে। আর দুর্ভাগ্যবশত যদি কারো মৃত্যু হয় তাহলে সেই লাশ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করার জন্য সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সে মোতাবেক যেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কার্যক্রম গ্রহণ করেন।

সচিব আরও বলেন, যে সমস্ত মিশনে কর্মকর্তা নিয়োগ করতে হবে সে সমস্ত মিশনে কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য ইতোমধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে এবং ১৭টি পদের বিপরীতে ৬১০ জন আবেদন করেছেন। মিশন সমূহকে শ্রমিক বান্ধবকরণসহ সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব জনবল নিয়োগের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

Tags: কর্মসূচি নির্বাচনী জাতীয় ইশতেহার পরিণত