মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) নিউইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সভায় ড. খলিলুর রহমান বর্ণবাদ ও জাতিগত বৈষম্যবিরোধী আন্তর্জাতিক বিভিন্ন কনভেনশনে বাংলাদেশের স্বাক্ষরের কথা উল্লেখ করে এ বিষয়ে দেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি রাখাইন ও গাজায় চলমান নিপীড়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখনো অনেক পিছিয়ে রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বজুড়ে অভিবাসী শ্রমিকদের বঞ্চনা, শোষণ এবং ন্যায়বিচারে সীমিত প্রবেশাধিকারের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এসব পরিস্থিতি জাতিসংঘের মৌলিক আদর্শের পরিপন্থী এবং তা মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি।
বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, মানবাধিকার, সমতা ও মর্যাদা রক্ষায় দেশটি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। পাশাপাশি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে বাংলাদেশ।
এ সময় বর্ণবাদমুক্ত বিশ্ব গড়ে তুলতে শিক্ষায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অনলাইনে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রতিরোধ এবং আন্তঃসাংস্কৃতিক সংলাপ জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।