নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ-নেত্রকোনা সড়কে সিএনজি ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ৬ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৩ জুলাই ২০২৬) দুপুরে নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে কান্দলীয়র কালিবাড়ি নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম মো: এরশাদ মিয়া (৪৫)। তিনি বারহাট্টা উপজেলার সিংধা ইউনিয়নের ভাটিপাড়া গ্রামের মৃত আমির হোসেনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোহনগঞ্জ থেকে আসা একটি মালবাহী পিকআপের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজি চালকসহ ৬ জন গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে এরশাদ মিয়ার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পরপরই সিএনজি চালক পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নেত্রকোনা মডেল থানার এসআই প্রভাস জানান, “সিএনজি ও পিকআপের সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকিদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ স্বজনরা বাড়িতে নিয়ে গেছেন। তারা সহযোগিতা চাইলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বুধবার (২৩ জুলাই ২০২৬) দুপুরে নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে কান্দলীয়র কালিবাড়ি নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম মো: এরশাদ মিয়া (৪৫)। তিনি বারহাট্টা উপজেলার সিংধা ইউনিয়নের ভাটিপাড়া গ্রামের মৃত আমির হোসেনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোহনগঞ্জ থেকে আসা একটি মালবাহী পিকআপের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজি চালকসহ ৬ জন গুরুতর আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে এরশাদ মিয়ার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পরপরই সিএনজি চালক পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নেত্রকোনা মডেল থানার এসআই প্রভাস জানান, “সিএনজি ও পিকআপের সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকিদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ স্বজনরা বাড়িতে নিয়ে গেছেন। তারা সহযোগিতা চাইলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।