এস.এম হুমায়ুন কবির, কক্সবাজার ব্যুরোচীফ: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ককসবাজারের রামুতে " অমর ৩৬ জুলাই " এর উদ্যোগে ম্যারাথন দৌড়ের আয়োজন করা হয়।
ওয়াক ফর জাস্টিস, এগেনেষ্ট ফ্যাসিজম, স্লোগানকে ধারণ করে শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোর ৬ টায় রামু চৌমুহনী থেকে ম্যারাথনটি শুরু হয়। পরে দু কিলোমিটার সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজারকুল ফরেস্টার অফিস থেকে ঘুরে আবার রামু চৌমুহনী স্বাধীনতা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ম্যারাথনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে বিভিন্ন গান , ফ্যাসিবাদবিরোধী সচেতনতামূলক বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত করে রাখে ম্যারাথনের পুরো পথ।
সংগঠনের সমন্বয়কারী মহিউদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের উপদেষ্টা, রামু উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আ.ন.ম হারুন, কক্সবাজার জেলা রাজবন্দী এ্যালায়েন্সের যুগ্ন আহবায়ক, রামু প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহমদ ছৈয়দ ফরমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাঈনুর রশিদ, ৩৬ জুলাই রামু উপজেলার উপদেষ্টা তৈয়ব উল্লাহ, জুলাই রেভ্যুলেশনারী এ্যালায়েন্সের সাংগঠনিক সম্পাদক তাজুল ইসলাম, গেজেটেড জুলাই যোদ্ধা আবুল কালাম আযাদ প্রমুখ।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল ফ্যাসিবাদের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার ঐতিহাসিক অর্জন। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার রক্তঝরা ত্যাগ ও চেতনাকে ধারণ করে তরুণ সমাজকে অন্যায় ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার থাকতে হবে। জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য একটি মহান আমানত। তরুণ প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী হয়ে ফ্যাসিবাদের যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন-সংগ্রাম এবং সৎ নাগরিক গড়ার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহবান জানান বক্তারা।
সভা শেষে জুলাই আন্দোলনে অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ জুলাই যোদ্ধাদের হতে ক্রেস্ট ও ম্যারাথনে অংশ গ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।