গোলাম কিবরিয়া, বড়লেখা (মৌলভীবাজার): মৌলভীবাজারের বড়লেখায় একটি ভাড়া বাসার দরজার তালা ভেঙে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনসহ প্রায় ১১ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকার মালামাল চুরির অভিযোগ উঠেছে অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ৫০ মিনিট থেকে ১০টা ২০ মিনিটের মধ্যে বড়লেখা উপজেলার বারইগ্রাম এলাকার হাজী আব্দুর রহমান কমপ্লেক্সের পঞ্চম তলার ৫০৮ নম্বর ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হেলন বেগম নামের এক নারী তার সন্তানদের পড়ালেখার সুবিধার্থে গত ছয় মাস ধরে ওই বাসায় ভাড়ায় বসবাস করে আসছেন। তার বোনের ছেলে সাহেদ আহমদও একই বাসায় থাকতেন। মঙ্গলবার রাতে সাহেদ নিজ বাড়িতে চলে যান।
বুধবার সকালে হেলন বেগম বাসায় তালা লাগিয়ে সন্তানকে স্কুলে নিয়ে যান। পরে সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে বাসায় ফিরে তিনি দেখতে পান, দরজার তালা ভাঙা, ঘরে ঢুকে তিনি আলমিরা ও ওয়াড্রফ ভাঙা, অবস্থায় দেখতে পান এবং রাখা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা গায়েব রয়েছে বলে জানান।
অভিযোগে বলা হয়, চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ আনা ওজনের এক জোড়া স্বর্ণের কানের দুল, ৮ আনা ওজনের দুটি স্বর্ণের আংটি, ১ ভরি ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, নগদ ২ লাখ ১০ হাজার টাকা, সাহেদ আহমদের নগদ ৫ লাখ টাকা, একটি Redmi Note-8 মোবাইল ফোন এবং একটি ২০ হাজার এমএএইচ পাওয়ার ব্যাংক। সব মিলিয়ে চুরি যাওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ১১ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকা।
এ বিষয়ে বিল্ডিংয়ের কেয়ারটেকারকে ঘটনার সময়ে কার আগমন বা প্রস্থান ঘটেছিল জানতে চাইলে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, ভবনে সিসি ক্যামেরা কেন নেই—জানতে চাইলে বিল্ডিংয়ের মালিক জানান, সিসি ক্যামেরা কেনা হয়েছে এবং পরবর্তীতে তা লাগানো হবে।
এ ঘটনায় হেলন বেগম বড়লেখা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। পুলিশ জানায়, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।