​রাশেদ খাঁনের প্রচেষ্টায় নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন ঝিনাইদহের মিশন আচার্য

আপলোড সময় : ০৪-১০-২০২৬ , আপডেট সময় : ০৪-১০-২০২৬

সালাম হোসেন, ঝিনাইদহ : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫-এ চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েও স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় নিয়োগপত্র না পাওয়া ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চাকরিপ্রার্থী মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মোঃ রাশেদ খাঁনের (সচিব পদমর্যাদা) উদ্যোগে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রোববার সকালে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনের কাছে একটি ডিও লেটার (আধা-সরকারি পত্র) দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মোঃ রাশেদ খাঁন (সচিব পদমর্যাদা)। এতে মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি মানবিক ও বিধিসম্মতভাবে বিবেচনার জন্য শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়। ডিও লেটারে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫-এ চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও স্থায়ী বসতভিটা না থাকার কারনে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চাকরিপ্রার্থী মিশন আচার্য (রোল নং-৬৫১৫৩২৮) নিয়োগপত্র পাননি—এ মর্মে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি জানান, বিষয়টি জানার পর ঝিনাইদহ সদর উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন যে, মিশন আচার্য জন্মলগ্ন থেকেই সদর উপজেলার কলাবাগান এলাকায় বসবাস করে আসছেন। বর্তমানে তিনি ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটিকেই নিজের আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহার করছেন। ডিও লেটারে আরও উল্লেখ করা হয়, ছোটবেলা থেকেই পিতৃহীন মিশন আচার্য তার মায়ের সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে লেখাপড়া সম্পন্ন করেছেন। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করেন। পরবর্তীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫-এ যথাযথভাবে অংশ নিয়ে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন। রাশেদ খাঁন আরও বলেন, তার কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী মিশন আচার্য একজন ভদ্র ও সুশীল তরুণ। 

এলাকায় তার বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ বা সংবাদ পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে বিধি মোতাবেক মিশন আচার্যের নিয়োগপত্র প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। এদিকে, একই দিন দুপুর ২টার দিকে মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মোঃ রাশেদ খাঁন। সাক্ষাৎকালে তিনি মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলে মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। ফলে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে মিশন আচার্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে জানা গেছে।

সম্পাদকীয় :

 সম্পাদক ও প্রকাশক : এসএম শহীদ উল্লাহ, নির্বাহী সম্পাদক : শারমিন সুলতানা, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : এসকে তমিজ উদ্দিন

অফিস : ১৯৩/১ (৩য় তলা) মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০ থেকে প্রকাশিত। মোবাইল : 01753492430, ই-মেইল : ajkerawaz73@gmail.com

অফিস :