পিপিপির আওতায় ১৫টি বড় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প নিচ্ছে সরকার

আপলোড সময় : ২৭-১০-২০২৬ , আপডেট সময় : ২৭-১০-২০২৬ ০১:০৪:৫৭ অপরাহ্ন

নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে ১৫টি বড় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে সরকার। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রকল্পগুলো এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার অংশ হিসেবে এসব প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। কাতারের রাজধানী দোহায় জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা আঙ্কটাড আয়োজিত ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম ২০২৬-এর মন্ত্রিপর্যায়ের এক প্যানেল আলোচনায় এ কথা বলেন আশিক চৌধুরী। রোববার (২৫ অক্টোবর) ইনভেস্ট বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক পোস্টে তাঁর বক্তব্যের বিষয়টি জানানো হয়।

আঙ্কটাড ও কাতার সরকারের যৌথ আয়োজনে ২৫ থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এ ফোরাম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দুই বছর পরপর আয়োজিত এই সম্মেলন বিনিয়োগ ও উন্নয়নবিষয়ক জাতিসংঘের অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক আয়োজন। এবার বসেছে এর নবম আসর।

আলোচনায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পরিবেশ এবং সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়ে আশিক চৌধুরীর কাছে জানতে চাওয়া হয়। জবাবে তিনি জানান, বিনিয়োগ উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের দায়িত্বে থাকা তিনটি সংস্থাকে একীভূত করে ইনভেস্ট বাংলাদেশ গঠন করা হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগসংক্রান্ত কার্যক্রম সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, সংস্থাটির পরিকল্পনায় থাকা ১৫টি বড় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প পিপিপির মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া হবে। জ্বালানি রূপান্তরের অগ্রাধিকারগুলোকে বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্পে রূপান্তরের বিষয়েও ফোরামে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রকল্পগুলোর সম্ভাব্য ব্যয়, বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা, অবস্থান ও বাস্তবায়নের সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব কর্তৃপক্ষকে (পিপিপিএ) একীভূত করে ইনভেস্ট বাংলাদেশ গঠন করা হয়। গত ২০ আগস্ট ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’ কার্যকর হওয়ার পর ২৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন সংস্থাটি কার্যক্রম শুরু করে। এর আগে আশিক চৌধুরী বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান ছিলেন। নতুন সংস্থায় তাঁকে এক বছরের চুক্তিতে চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তবে বর্তমান সক্ষমতা সেই লক্ষ্যের তুলনায় অনেক কম। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের হিসাবে, দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির স্থাপিত সক্ষমতা ১ হাজার ৮৫২ মেগাওয়াট।

এর মধ্যে সৌরবিদ্যুতের সক্ষমতা ১ হাজার ৪৭৩ মেগাওয়াট। দেশের মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতার প্রায় সাড়ে ৫ শতাংশ আসে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে।

সম্পাদকীয় :

 সম্পাদক ও প্রকাশক : এসএম শহীদ উল্লাহ, নির্বাহী সম্পাদক : শারমিন সুলতানা, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : এসকে তমিজ উদ্দিন

অফিস : ১৯৩/১ (৩য় তলা) মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০ থেকে প্রকাশিত। মোবাইল : 01753492430, ই-মেইল : ajkerawaz73@gmail.com

অফিস :