• জাতীয়
  • বৈদেশিক ঋণে ‘না’: নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প একনেকে, আত্মনির্ভরতার পথে হাঁটছে সরকার?

বৈদেশিক ঋণে ‘না’: নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প একনেকে, আত্মনির্ভরতার পথে হাঁটছে সরকার?

জাতীয় ১ মিনিট পড়া
 বৈদেশিক ঋণে ‘না’: নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প একনেকে, আত্মনির্ভরতার পথে হাঁটছে সরকার?

আজকের বৈঠকে অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা ১৩টি প্রকল্পের পুরোটাই অর্থ ২১ অক্টোবরের একনেকে ১,৮৮৫ কোটি টাকার প্রকল্পে বৈদেশিক ঋণ ছিল মাত্র ৫৩ কোটি টাকা। এরায়ন হবে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে। তৃণমূলের উন্নয়ন ও মানবসম্পদ গঠনই প্রধান লক্ষ্য।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কি দেশের উন্নয়ন আগে ১৭ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে ৮,৩৩৩ কোটি টাকার প্রকল্পে বিদেশি অর্থায়ন ছিল ১,২২৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুমোদিত নতুন প্রকল্পগুলোতে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে।

পর প্রকল্পে বৈদেশিক ঋণনির্ভরতার দীর্ঘদিনের ধারা থেকে সরে আসছে? এমন একটি জোরালো প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারক মহলে। এর কারণ, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) আজকের সভায় অনুমোদনের জন্য যেিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, আর্থিক সংকটের এই সময়ে যখন বৈদেশিক ঋণের প্রয়োজনীয়তা বেশি, তখন সরকারের এই স্ব- প্রায় সাত হাজার ৭৮৩ কোটি টাকার প্রকল্প তালিকা উপস্থাপন করা হচ্ছে, তার পুরোটাই অর্থায়ন করা হবে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে।অর্থায়নের উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ERD) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে একটি প্রকল্পের জন্যও কোনো বৈদেশিক ঋণ নেওয়া হচ্ছে না।

সোমবার সকালে পরিকল্পনা কমিশনে এনইসি সম্মেলন নতুন ঋণ চুক্তিও তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে আজকের ‘বৈদেশিক ঋণশূন্য’ একনেক বৈঠক কক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও ECNEC চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছেকে সরকারের আত্মবিশ্বাস এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতার একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

এবারের একনেকের টে। বৈঠকে মোট ১৩টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে, যার মধ্যে ৯টি নতুন এবং ৪টি সংশোধিত।

আজকের সভায় মোট ১৩টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে, যার মধ্যে ৯টি নতুনএক নতুন অর্থনৈতিক দর্শনের ইঙ্গিত?

সাম্প্রতিক সময়ের কয়েকটি ECNEC বৈঠক পর্যালোচনা করলে একটি ধারাবাহিক পরিবর্তনের এবং ৪টি সংশোধিত। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে গ্রামীণ উন্নয়ন, কৃষি ও শিক্ষাখাত চিত্র স্পষ্ট হয়ে ওঠে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নতুন প্রকল্পে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ লক্ষণীয়ভাবে কমকে। উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলো হলো:

গ্রামীণ উন্নয়ন: ‘মানিকগঞ্জ জেলার গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো।

গত ২১ অক্টোবরের একনেকে ১,৮৮৫ কোটি টাকার প্রকল্পে বৈদেশিক ঋণ ছিল নামামো উন্নয়ন’ এবং ‘সাতক্ষীরা জেলার গ্রামীামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক দুটি প্রকল্প, যা সরাসরিমাত্র ৫৩ কোটি টাকা।

১৭ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে ৮,৩৩৩ কোটি টাকার বিশাল বরাদ্দের তৃণমূলের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

কৃষি ও হাওর: ‘কিশোর মধ্যে বিদেশি ঋণ ছিল মাত্র ১,২২৫ কোটি টাকা।

এর আগে ১৭ আগস্ট ৭,৭১২ কোটি টাকার প্রকল্পেগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার হাওর এলাকার ক্ষুদ্র সেচ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন (তৃতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্পটি হাও বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ২,৪২৮ কোটি টাকা।

এই পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, সরকার ধীরে ধীরে ঋণর অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

শিক্ষা ও গবেষণা: ‘গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামনির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব সক্ষমতার ওপর আস্থা বাড়াচ্ছে। পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও স্বীকার করছেন, নতুন প্রকল্পগুলোতে বৈদেশিক অর্থোগত উন্নয়ন’ এবং ‘চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে একটি করে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন (দ্বিতীয় সংশায়ন কমছে, যা মূলত সংশোধিত প্রকল্পগুলোতেই বেশি দেখা যাচ্ছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ERD) তথ্যোধিত)’ প্রকল্প দুটি দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকা রাখবে।

স্বাস্থ্যখাত: পরিবার অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে মাত্র ৯১ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা গত অর্থবছরের তুলনায় অনেক কম পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত তিনটি বড় প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, যা দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও। আর্থিক সংকটের এই সময়ে এমন সিদ্ধান্তকে একটি সাহসী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।

অন্যান্য: এ ছাড়া ‘ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ (আজকের বৈঠকে ফোকাসে যা যা উন্নত করবে।

আজকের একনেক সভায় যে প্রকল্পগুলো অনুমোদনের জন্য তোলাীয় পর্যায়, প্রথম সংশোধিত)’ এবং ‘ভূমি নিবন্ধন ব্যবস্থাপনা অটোমেশন’ এর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোও আজকের হচ্ছে, সেগুলোর মূল লক্ষ্য গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি প্রকল্প হলো:

গ্রামীণ উন্নয়ন: ‘মানিকগঞ্জ জেলার গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন’ এজেন্ডায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদসহ প্রায় সকল উপদেষ্টাই এবং ‘সাতক্ষীরা জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক দুটি প্রকল্প সরাসরি তৃণমূলের জীবনযাত্রার মান পরিবর্ত উপস্থিত থাকবেন এবং দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন রূপরেখা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

কৃষি ও হাওর: ‘কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার হাওর এলাকার ক্ষুদ্র সেচ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন (৩য় সংশোধিত)’ প্রকল্পটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় হাওরাঞ্চলের গুরুত্বকে তুলে ধরছে।

শিক্ষা ও মানবসম্পদ: ‘গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন’ এবং ‘চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে একটি করে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্প দুটি দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ।

স্বাস্থ্যখাত: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, যা দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প: এ ছাড়া ‘ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ।