কৃষি সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি
বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে কৃষি (Agriculture) সহযোগিতা জোরদার এবং জলবায়ু সহনশীল (Climate Resilient) চাষাবাদে যৌথ উদ্যোগের আশাবাদ পুনর্ব্যক্ত করেছেন মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাংলাদেশ মালদ্বীপের কৃষি উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীল চাষাবাদে সহযোগিতার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
রোববার (৩০ নভেম্বর) হাইকমিশনার একটি প্রতিনিধিদলকে সঙ্গে নিয়ে মালদ্বীপের হানিমাদহু দ্বীপের (Hanimadhoo Island) কৃষি খামার পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন। দ্বীপটির সিটি কাউন্সিলর আব্দুর সাত্তার হাসান বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান। এই সময় শ্রম-কল্যাণ উংয়ের কাউন্সিলর মো. সোহেল পারভেজসহ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষির গুরুত্ব
পরিদর্শনকালে হাইকমিশনার কৃষি কেন্দ্রের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর টেকসই কৃষি (Technology-based Sustainable Agriculture) মালদ্বীপের খাদ্য নিরাপত্তার (Food Security) জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর মতে, এটি মালদ্বীপের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার ভিত্তি স্থাপন করতে পারে। সীমিত ভূমির কারণে দ্বীপ রাষ্ট্রটির কৃষিতে উন্নত প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী কৌশল প্রয়োগ করা অপরিহার্য।
প্রযুক্তি হস্তান্তর ও বিশেষজ্ঞ পাঠানোর প্রস্তাব
মালদ্বীপের ফুড সাসটেইনেবিলিটি (Food Sustainability) বা খাদ্য টেকসইতা বাড়াতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব তুলে ধরেন হাইকমিশনার। তিনি বাংলাদেশ থেকে কৃষি বিশেষজ্ঞ (Agricultural Expert) পাঠানোর প্রস্তাব দেন এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা (Technological Support), যৌথ প্রশিক্ষণ (Joint Training) ও আধুনিক কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জনের সম্ভাবনা তুলে ধরেন।
হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম আশা প্রকাশ করেন যে, এই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধিতে, আমদানি নির্ভরতা (Import Dependency) কমাতে এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs - Sustainable Development Goals) অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এই সহযোগিতার মাধ্যমে উভয় দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও কার্যকর হতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।