• দেশজুড়ে
  • স্বাধীন সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ! এমদাদুল হক মিলন হত্যায় ফুঁসে উঠল সোনারগাঁও: কঠোরতম শাস্তির দাবিতে তীব্র মানববন্ধন

স্বাধীন সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ! এমদাদুল হক মিলন হত্যায় ফুঁসে উঠল সোনারগাঁও: কঠোরতম শাস্তির দাবিতে তীব্র মানববন্ধন

দেশজুড়ে ১ মিনিট পড়া
স্বাধীন সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ! এমদাদুল হক মিলন হত্যায় ফুঁসে উঠল সোনারগাঁও: কঠোরতম শাস্তির দাবিতে তীব্র মানববন্ধন

খুলনার ডুমুরিয়ার একজন নিবেদিত সাংবাদিক এবং শলুয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি এমদাদুল হক মিলনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এই জঘন্য ক্রাইমের (Crime) দ্রুত বিচার এবং দোষীদের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ এই প্রোটেস্ট (Protest) মঞ্চ তৈরি করে।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় এই মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু হয়। স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার (Media) বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যমকর্মী এতে অংশ নেন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রতিবাদী অবস্থান

সাংবাদিক এমদাদুল হক মিলনের হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই দেশের সাংবাদিক সমাজে (Journalism Sector) যে গভীর ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে, সোনারগাঁয়ের এই মানববন্ধন তারই প্রতিফলন। বক্তারা এ সময় সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, একের পর এক সাংবাদিক হত্যার মতো ঘটনা স্বাধীন ও মুক্ত সাংবাদিকতার (Journalism) জন্য চরম হুমকি।

মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদানকারী সাংবাদিক নেতারা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে গণমাধ্যমের (Media) ওপর হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা কখনোই কোনো শুভ ফল বয়ে আনতে পারে না। বারবার এমন জঘন্য ঘটনার পরও অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারে সরকার কার্যকর উদ্যোগ না নিয়ে কেবল বিবৃতি দিয়েই দায়িত্ব শেষ করছে— যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের মতে, এই ধরনের উদাসীনতা অপরাধীদের আরও বেশি উৎসাহিত করছে।

'স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য চরম হুমকি': প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর

বক্তারা আরও জোর দিয়ে বলেন, '২৪-এর অভ্যুত্থান কোনো অন্যায়ের প্রশ্রয় দেওয়ার জন্য হয়নি। এ অভ্যুত্থান হয়েছিল একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশায়— যেখানে সবাই স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারবে এবং জীবনের নিরাপত্তা পাবে। কিন্তু সাংবাদিকের জীবন যদি এভাবে ঝুঁকির মুখে পড়ে, তবে তা সেই প্রত্যাশাকেই চরমভাবে আঘাত করে।

বক্তারা অবিলম্বে সাংবাদিক এমদাদুল হক মিলন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার (Arrest), নিরপেক্ষ তদন্ত (Investigation) এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির (Exemplary Punishment) দাবি জানান। তারা হুঁশিয়ারি দেন যে, এই হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে দেশের প্রেস ফ্রিডম (Press Freedom) আরও সংকুচিত হয়ে পড়বে এবং ডিজিটাল মিডিয়ার (Digital Media) ক্ষেত্রেও আতঙ্ক সৃষ্টি হবে।

প্রতিবাদী মঞ্চে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধি

সাংবাদিক এমদাদুল হক মিলন হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত এই মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন যুগান্তরের সাংবাদিক আল-আমিন, মানবজমিন পত্রিকার আবুবকর সিদ্দিক, নয়াদিগন্তের হাসান মাহমুদ রিপন, কালের কণ্ঠের মনিরুজ্জামান মনির, বাংলাদেশ প্রতিদিনের মাজহারুল ইসলাম, সমকাল পত্রিকার শাহদাত হোসেন রতন, দেশ রূপান্তরের রবিউল ইসলাম, আমাদের সময়ের মিজানুর রহমান, মোকাররম মোল্লা মামুন, কালবেলার রুবেল মিয়া, খবরের কাগজের ইমরান, মশিউর রহমান, হুমায়ুন কবির, কবির হোসেন, কামরুজ্জামান রানা, নজরুল ইসলাম শুভ, নাসির উদ্দিন, হাবিবুর রহমান, নুরনবী জনি, ডালিম হোসাইন, সজীব হোসেন, মীমরাজ হোসেন, তৌরভ হোসেনসহ স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার অসংখ্য সাংবাদিক।

Tags: narayanganj press freedom media attack emdadul milon journalist murder sonargaon protest demand justice dumuria crime