পর্যটক সীমিত রাখার সরকারি উদ্যোগ
সেন্টমার্টিন দ্বীপের পরিবেশ সুরক্ষার জন্য সরকার প্রতিদিন পর্যটক সংখ্যা দুই হাজারের মধ্যে সীমিত রাখতে বিশেষ 'ভ্রমণ পাস' ব্যবস্থা চালু করেছে। কিন্তু একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে এই পাস পদ্ধতি ভেঙে টিকিট কালোবাজারি করে আসছিল।
যেভাবে ঘটল জালিয়াতি
টাঙ্গাইল থেকে আসা ২৫ জন পর্যটক বৈধ ভ্রমণ পাস ছাড়াই ‘হিলশা ট্যুরিজম’ গ্রুপের গাইড রিফাতুল হাসানের মাধ্যমে ভোরে কক্সবাজারে পৌঁছান। এরপর অনিক নামের এক কালোবাজারি ও জাহাজ কর্মকর্তা রফিকের যোগসাজশে ভোর সাড়ে ৪টায় তাদের টিকিট ছাড়াই জাহাজে উঠিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাদের কাছে জাল টিকিট সরবরাহ করা হয়।
প্রশাসনের অভিযান ও জরিমানা
টিকিট যাচাইয়ের সময় সন্দেহ হওয়ায় ওই ২৫ জন পর্যটককে শনাক্ত করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও ৭ জনকে আটক করা হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিস ইনতেসার নাফির নেতৃত্বে এলসিটি কাজল জাহাজে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান শেষে জাহাজটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ভুক্তভোগী যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া টাকা ফেরত দেওয়া হয়।
জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা
ঘটনায় জড়িত জাহাজ কর্মকর্তা রফিক এবং আরেক কালোবাজারি শুভকে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া না গেলেও তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিস ইনতেসার নাফি জানিয়েছেন, সেন্টমার্টিনের পরিবেশ রক্ষায় ভ্রমণ পাস জালিয়াতির বিরুদ্ধে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।