সোমবার (২ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে শনিবারে (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ওই হামলায় খামেনির মেয়ে, নাতি ও জামাই নিহত হওয়ার খবর দেয় ইরানের সংবাদ মাধ্যমগুলো।
রাশিয়া ও চীন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছিল।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালায় ইসরায়েলি-মার্কিন বাহিনী। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সেনাপ্রধানসহ প্রায় অর্ধশত শীর্ষ নেতা নিহত হন।
ইসরায়েলি-মার্কিন আগ্রাসনের জবাবে ইরানও পদক্ষেপ নিয়েছে।
তারা তেলআবিবের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। ইরানি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় এখন পর্যন্ত ইরানে ৫৫৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। আক্রান্ত স্থাপনার মধ্যে হাসপাতাল, স্কুলসহ অনেক বেসামরিক স্থাপনা রয়েছে।
এর মধ্যে মেয়েদের একটি স্কুলে হামলার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দেড়শ ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার।
অন্যদিকে ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলায় ইসরায়েলে ১০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ১২১ জন। আর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা আঘাতে আরব আমিরাতে ৩ জন, কুয়েতে ১ জন, বাহরাইনে ১ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশিও আছেন।