জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের মতিঝিল আঞ্চলিক টিমের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন। প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই রুকনুজ্জামান জানান, রিমান্ড শেষে দাখিল করা আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান করেছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে কী ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
মানবপাচার সিন্ডিকেটে সম্পৃক্ততা ও দেশত্যাগে সহায়তার সম্ভাবনা
আদালতে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় মানবপাচার ও অবৈধ পণ্য চোরাচালান সিন্ডিকেটের সদস্য ফিলিপের সহযোগী। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই এবং সীমান্তপথে ভারতে পালাতে সহায়তা করার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। আবেদনে আরও বলা হয়, মামলার প্রধান পলাতক আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীরা ভারতে পালিয়ে থাকলে, এই দুই আসামির সেই পলায়নে সম্পৃক্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা কৌশলে নিজেদের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করার চেষ্টা করছেন বলেও দাবি করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
রিমান্ড ও মামলার পটভূমি
গত ১৫ ডিসেম্বর সীমান্ত এলাকায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিমকে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পরে তাদের এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১৮ ডিসেম্বর আদালতে হাজির করা হলে প্রথম দফায় তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। ২১ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় তাদের ৫ দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) যুক্ত করা হয়।