দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনা
ত্রিপোলির বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, বিদায়ী সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত ও ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ-লিবিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে পর্যালোচনা করেন। লিবিয়ার ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূত বাশারের কর্মকালীন সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে নেওয়া উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেন এবং অত্যন্ত উৎসাহ ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য সন্তোষ প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশি নাগরিকদের কল্যাণ ও মানবপাচার প্রতিরোধ
তাহের আল-বাউর লিবিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের কল্যাণে রাষ্ট্রদূতের নিরলস প্রচেষ্টা এবং লিবিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে তার কার্যকর ও সমন্বিত যোগাযোগের প্রশংসা করেন। একই সাথে তিনি মানবপাচার প্রতিরোধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং রাষ্ট্রদূতের সুস্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন।
সমঝোতা স্মারক ও প্রত্যাবাসন
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার তার দায়িত্বকালীন সময়ে লিবিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অব্যাহত সহযোগিতা ও সহায়তার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারক ও চুক্তিসমূহ দ্রুত চূড়ান্ত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন এবং মন্ত্রীর উত্থাপিত বিভিন্ন প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করেন।
তিনি লিবিয়া থেকে বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনে লিবিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা, বিশেষ করে লিবিয়ার জাতীয় ঐকমত্যের সরকারের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনে সহায়তার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। রাষ্ট্রদূত আশ্বাস দেন যে দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতি লিবিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।