গুলির ঘটনা ও প্রাথমিক তথ্য শুক্রবার সকাল সাতটার দিকে একটি মাইক্রোবাসে করে মুখোশধারী আটজনের একটি দল মুজিবুর রহমানের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তাদের ছোড়া গুলি বাড়ির গেট ও পেছনের অংশে লাগে। ঘটনার পর পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে। এই হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও, পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশের সন্দেহ ও সাজ্জাদ বাহিনীর তৎপরতা নগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া কালবেলাকে জানান, মাইক্রোবাসে করে এসে আটজনের একটি দল মুজিবুর রহমানের বাড়িতে গুলি করে এবং তাদের মুখে মাস্ক ছিল।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, বিদেশে পলাতক ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের নির্দেশে তার সহযোগীরা এই হামলা চালিয়েছে। এর পেছনে চাঁদার দাবিই মূল কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশের ভাষ্যমতে, সাজ্জাদের অনুসারীরা চাঁদা না পেলেই এমন কাণ্ড ঘটায়। এই বাহিনীর কারণে নগরের চান্দগাঁও, বায়েজিদ বোস্তামী ও পাঁচলাইশসহ পাঁচটি থানার ৫ লক্ষাধিক মানুষকে আতঙ্কে থাকতে হয়।
ব্যবসায়ীর বক্তব্য ও মামলার প্রস্তুতি স্মার্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান জানান, মাস দেড়েক আগে ‘বড় সাজ্জাদ’ পরিচয়ে এক ব্যক্তি একটি বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে তাঁর কাছে টাকা দাবি করেন। গুলির ঘটনার সময় তিনি নিজ বাসাতেই ঘুমিয়ে ছিলেন। এই ঘটনায় চকবাজার থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে নগর পুলিশ।
মুজিবুর রহমানের পরিচয় উল্লেখ্য, মুজিবুর রহমান স্মার্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনে চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাঁর স্মার্ট গ্রুপ পোশাক, টেক্সটাইল, রিয়েল এস্টেট, এবং জ্বালানিসহ একাধিক খাতে বিনিয়োগকারী একটি বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী।