ঝালকাঠির দু’টি আসনে দাখিলা হওয়া মোট ২৫ টি মনোনয়ন পত্রের মধ্যে ১৪ টিকে বৈধ ঘোষনা করা হয়েছে। ঋণখেলাপি হওয়ার পাশাপাশি হলফনামায় স্বাক্ষর, এক শতাংশ ভোটারের সঠিকতা এবং প্রয়োজনিয় কাগজ পত্র না থাকায় ৮ জনের মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়া হয়েছে। এছাড়া স্থগিত রাখা হয়েছে ৪টি। মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মমিন উদ্দিন এ ঘোষনা দেন।
ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে দাখিল হওয়া ১৫টি মনোনয়ন পত্রের মধ্যে বিএনপি প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল, জাতিয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র মাহমুদা আলম মিতু, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এর ইব্রাহিম আল হাদি, জাতিয় পাটি মা. কামরুজ্জামান, জনতা দলের মো. জসীম উদ্দিন তালুকদারসহ ৮টি মনোনয় পত্র বৈধ ঘোষনা করা হয়। এ আসন থেকে বাতিল হয়েছে ৫টি মনোনয় পত্র।
এগুলোর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী এম মঈন আলম ফিরোজীর ১০ লক্ষ টাকা কর বকেয়া থাকায়, হলফনামায় প্রস্তাবকারি এবং সমর্থনকারির স্বক্ষর না থাকার কারণে গণ অধিকার পরিষদের মো. শাহাদাৎ হোসেন এবং বাংলাদেশ লেবার পার্টির মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের মনোনয়ন পত্র রয়েছে। এছাড়া ঋণ খেলাফী হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান, এক শতাংশ ভোটারের সঠিকতা আরো এক স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম আজম সৈকতের মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়েছে। এ আসন থেকে স্থগীত রাখা হয়েছে দু’টি মনোনয়ন পত্র।
অপর দিকে ঝালকাঠি-২ ( ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি) আসনে দাখিল হওয়া ১০টি মনোনয়ন পত্রের মধ্যে বিএনপি প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী এর এস এম নেয়ামুল করিম, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এর মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম সিরাজীসহ ৫টি মনোনয় পত্র বৈধ ঘোষনা করা হয়। ঋণ খেলাপী হওয়ায় জাতিয় পার্টির এমএ কুদ্দুস খান এর মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়। এছাড়া হলফনামায় স্বাক্ষর এবং এক শতাংশ ভোটারের সঠিকতা এবং প্রয়োজনিয় কাগজ পত্র না থাকায় আরো দু’টিকে বাতিল করা হয়। এবং স্থগিত রাখা হয় দু’টি। #