নির্বাচন ঘিরে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারের নির্দেশ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী Intelligence Surveillance (গোয়েন্দা নজরদারি) এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। যারা নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা করবে, তাদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
‘যেকোনো স্থানে প্রবেশাধিকার’ ও কঠোর অবস্থান
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানে অটল। যারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবেন, তারা ব্যর্থ হবেন—এই বিষয়ে Law Enforcement Agencies-কে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও ঘোষণা করেন, “এবারের জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিরোধে ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে প্রবেশ করতে পারবেন।” এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দেয়।
জনদুর্ভোগ সৃষ্টিতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি
রাস্তাঘাট বন্ধ করে সাধারণ মানুষের জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এবং এই Zero Tolerance নীতি কার্যকর থাকবে।
বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কৌশলগত আলোচনা করা হয়। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সর্বস্তরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের দ্রুত Training সম্পন্ন করার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব বাহিনীকে সমন্বিতভাবে (Coordinated) এবং মাঠপর্যায়ে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গোয়েন্দা তথ্য-উপাত্তের সমন্বয়
দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে Intelligence কার্যক্রমের গুরুত্বের ওপর জোর দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “দেশব্যাপী Intelligence Surveillance বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার করাসহ অধিক সক্রিয় ও তৎপর থাকা এবং সব বাহিনীর Intelligence Data-গুলোর মধ্যে সমন্বয় করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।” এই সমন্বিত Strategy-র মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সময়ে যেকোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রশাসন প্রস্তুত বলে তিনি জানান।