আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী এলাকা ৮৯ যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে বিএনপি জোট মনোনীত ‘ধানের শীষ’-এর একমাত্র কান্ডারী মুফতী রশীদ বিন ওয়াক্কাস হাফিঃ তাঁর নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করেছেন। তারই অংশ হিসেবে তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ এবং প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন।
শ্যামকুড়ে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠক
গতকাল মণিরামপুর উপজেলার ১২ নং শ্যামকুড় ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সুন্দলপুর বাজারে অবস্থিত বিএনপি অফিসে এই বিশেষ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। জোট প্রার্থীর মূল লক্ষ্য ছিল একেবারে তৃণমূল স্তরের নেতাদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা এবং তাঁদের মতামত গ্রহণ করা।
এই সাক্ষাৎকারে উপস্থিত ছিলেন মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং মোঃ শরীফ খান। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় দলের মূল শক্তি হিসেবে কাজ করছেন। মুফতী রশীদ বিন ওয়াক্কাস তাঁদের সাথে এলাকার সাংগঠনিক অবস্থা, স্থানীয় ভোটারদের ‘সেন্টিমেন্ট’ (Sentiment) এবং নির্বাচনী প্রচারণার 'অ্যাকশন প্ল্যান' (Action Plan) নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। এই ধরনের ‘আউটরিচ’ (Outreach) কর্মসূচির মাধ্যমে প্রার্থী তৃণমূলের আস্থা অর্জন এবং সাংগঠনিক ঐক্যকে আরও মজবুত করতে চাইছেন।
সহযোগী সংগঠনের উপস্থিতি
উপজেলা বিএনপির সদস্যদের পাশাপাশি এই সাক্ষাতে জোটের প্রধান সহযোগী সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। এঁদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহ-সভাপতি মুফতী রেজাউল করিম। জোটের নেতারা প্রার্থীর সঙ্গে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং নির্বাচনী কৌশলে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততা কাজে লাগানোর প্রতিশ্রুতি দেন।
লক্ষ্য: সর্বস্তরের ঐক্য
মুফতী রশীদ বিন ওয়াক্কাস এই সৌজন্য সাক্ষাতের মাধ্যমে স্পষ্ট করে দেন যে, 'ধানের শীষ' প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে দল ও জোটের সকল স্তরের নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এই সাক্ষাৎটি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে এবং ভোটের মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য তাঁদের প্রস্তুত করে তুলছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পুরো মণিরামপুর উপজেলায় ধাপে ধাপে এ ধরনের সাংগঠনিক সফর চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে জোট মনোনীত এই প্রার্থীর।