অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সফলতার কারণেই আজ আমরা মুক্ত হয়েছি। তিনি শহীদ আবু সাঈদসহ সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। যারা সেসময় নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল, তাদের বিচার অবশ্যই বাংলার মাটিতে হতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। আসলাম চৌধুরী আরও জানান, তারা প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকতে পেরে আনন্দিত এবং ভবিষ্যতে তাদের কর্মসংস্থান তৈরি নিয়েও কাজ করবেন।
সরকারকে ছাত্র শিবিরের হুঁশিয়ারি ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিগবাতুল্ল্যাহ সিগবাহ জুলাই যোদ্ধাদের পক্ষে সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, জুলাই শহীদ ও শহীদের বিচার নিয়ে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্র হলে তার পরিণাম দ্বিতীয় জুলাই হতে পারে। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, বাংলার বুকে বিদেশি আধিপত্যবাদ কায়েম করে আর কোনো নব্য ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে দেওয়া হবে না।
জুলাই পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলন ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তারেক আজিজ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। তার বক্তব্যে তিনি দেশের প্রান্তিক অঞ্চল থেকে দেড় বছর পর জুলাই যোদ্ধারা এসে ‘জুলাইকে পুনরুজ্জীবিত’ করেছেন বলে সকলকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি অভিযোগ করেন, ‘জুলাই গাদ্দারদের কবলে পড়েছে’। বাঁচাতে, বিচার পেতে এবং আগ্রাসন বিরোধী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জুলাই যোদ্ধাদের বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি। তারেক আজিজ আরও বলেন, ৭ জানুয়ারি ফেলানী হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলা হয়। তিনি জুলাই যোদ্ধাদের নেতৃত্বে জেলা, উপজেলা, পাড়া, মহল্লায় আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের শক্তিশালী দল গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান আয়োজন ও সঞ্চালনা আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের উদ্যোগে ও জেএএম সংস্থার সার্বিক সহযোগিতায় এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। এতে সংগঠনের সদস্য সচিব আলামিন আটিয়া ও ডাকসুর সদস্য তাজিনুর রহমান সঞ্চালনা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেএএম সংস্থার চেয়ারম্যান মেহরিন উজমা। এছাড়াও বিভিন্ন দল, ছাত্র সংগঠনের নেতা, শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত এবং সাংবাদিকরা বক্তব্য রাখেন।