• ক্যাম্পাস
  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী সভা, সমাবেশ ও প্রচারণা নিষিদ্ধ: মাউশিকে চিঠি বিভাগীয় কমিশনারের

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী সভা, সমাবেশ ও প্রচারণা নিষিদ্ধ: মাউশিকে চিঠি বিভাগীয় কমিশনারের

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও গণভোট উপলক্ষে আচরণবিধি কঠোরভাবে মানতে মাউশিকে নির্দেশ দিলো ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়। রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী সভা-সমাবেশ করা যাবে না।

ক্যাম্পাস ১ মিনিট পড়া
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী সভা, সমাবেশ ও প্রচারণা নিষিদ্ধ: মাউশিকে চিঠি বিভাগীয় কমিশনারের

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্বাচনী সভা, সমাবেশ বা অন্য কোনো প্রচারণার কাজে ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রিটার্নিং অফিসারের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমাবেশের অনুমতি না দিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালককে চিঠি দিয়েছে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়। নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী কার্যক্রম নিষিদ্ধ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ বা হলরুম নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা, সভা কিংবা সমাবেশের ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করাকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে রবিবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালককে একটি জরুরি চিঠি পাঠানো হয়।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন-পূর্ব সময়ে আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কোনো কোনো প্রার্থী বা তাদের সমর্থকেরা সেমিনার, সংবর্ধনা, যুব সমাবেশ ইত্যাদি অনুষ্ঠানের নামে ভোটারদের একত্রিত করে নির্বাচনী প্রচারণার চেষ্টা করছেন। এক্ষেত্রে স্থান হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ বা হলরুম ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া সমাবেশ নয়

বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়াই স্থানীয়ভাবে এসব সমাবেশ বা প্রচারণার জন্য ভেন্যু হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছেন, যা নির্বাচনী আচরণের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এই পরিস্থিতি এড়াতে রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো প্রকার সভা বা সমাবেশের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য মাউশিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই কড়াকড়ি আরোপের মধ্য দিয়ে নির্বাচনকালীন সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হলো।

Tags: election bangladesh news educational institution polls electoral code of conduct dhaka divisional commissioner dshe