• জাতীয়
  • রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে : দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে : দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

জাতীয় ১ মিনিট পড়া
রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে : দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন, স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের (বিসিএফসিসি) কার্নিভাল হলে আয়োজিত ‘নাগরিক ইশতেহার ২০২৬ : জাতীয় নির্বাচন ও রূপান্তরের প্রত্যাশা’ শীর্ষক খসড়া ইশতেহার উপস্থাপন সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। এ সংলাপের আয়োজন করে প্রাপ্তি ও সংলাপ সহযোগীর সহায়তায় সিপিডি।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর যে দল সরকার গঠন করবে তাদের প্রধান দায়িত্ব হবে রাষ্ট্রকে জবাবদিহিমূলক ও নাগরিকবান্ধব কাঠামোয় রূপান্তর করা।

বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ছিল মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, আত্মত্যাগ এবং বৈষম্যবিরোধী আকাঙ্ক্ষাই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণের নৈতিক ভিত্তি গড়ে দেয়। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর সেই চেতনার ধারাবাহিকতায় একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলাই ছিল জাতির লক্ষ্য। তবে পাঁচ দশকের পথচলায় নানা উত্থান-পতন, আশা-নিরাশার মধ্য দিয়ে দেশ এগোলেও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন রয়ে গেছে অসম ও ভঙ্গুর।

বিশেষ করে গত দেড় দশকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়া, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীভবন এবং নাগরিক পরিসর সংকুচিত হওয়ার ফলে গভীর শাসন-সংকট সৃষ্টি হয়েছে। স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা, নিরপেক্ষ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং দক্ষ ও পেশাদার প্রশাসন গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তিনি। একই সঙ্গে বৈষম্যকে কাঠামোগত সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে তার আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সমাধানের আহ্বান জানান।

Tags: নিশ্চিত রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন জবাবদিহি দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য